শরীয়তপুর শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ইং, ১২ মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
আজ শনিবার | ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ইং

ইতিহাসের আরেক সাক্ষী সি-১৩০ জে

শনিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২০ | ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ | 74 বার

ইতিহাসের আরেক সাক্ষী সি-১৩০ জে

পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যান লন্ডনে। সেখান থেকে ১০ জানুয়ারি ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর একটি উড়োজাহাজে নয়াদিল্লি হয়ে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে সেখানে উপস্থিত হন হাজার হাজার মানুষ। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আসা বিমানটি অবতরণের পর ২১ বার তোপধ্বনি দেওয়া হয়। সশস্ত্র বাহিনী তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সেই মুহূর্তের একইভাবে পুনরাবৃত্তি করে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনার আয়োজন শুরু হয়। ঐতিহাসিক এই দিনটি উপলক্ষে সেই পুরাতন বিমানবন্দরে আয়োজন করা হয় জমকালো অনুষ্ঠানের। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর কমেট জেটে ঢাকায় অবতরণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে সম্প্রতি ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর সি-১৩০ জে মডেলের বিমান যুক্ত হয়। এই বিমানটি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঐতিহাসিক মুহূর্তকে ধারণ করতে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হবে। পুরাতন বিমানবন্দরের এ অনুষ্ঠানে অন্তত ১০ হাজার দর্শক সমাগত হয়। দর্শকদের আনন্দের জন্য অনুষ্ঠানস্থলে ছিল ছোট ছোট সাংস্কৃতিক মঞ্চ। সেখান থেকে স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান পরিবেশন করা হয়। সি-১৩০ জে বিমানটি আকাশসীমায় আগমনের সঙ্গে সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। বিমানটি অবতরণের পর ট্যাক্সি করে টারমাক এলাকায় পৌঁছানো শেষে বিমানের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ২১ বার তোপধ্বনি দেওয়া হয়।
বিমানটি টারমাকে থামার নির্দিষ্ট স্থান, সিঁড়ি ও ফ্লোরে লালগালিচা বিছানো ছিল। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ফুলের পাপড়ি হাতে প্রস্তুত ছিল স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিমানের দরজা খোলা হলে লেজার লাইটের মাধ্যমে দরজার কাছে আলোকিত করা হয়। যে আলো সিঁড়ি থেকে আস্তে আস্তে নেমে লালগালিচার মাথায় গিয়ে থামে। বঙ্গবন্ধু আমাদের মাঝে আলোকবর্তিকা হিসেবে এসেছিলেন- এ আয়োজনে ছিল সেটার প্রতিফলন। লেজার লাইট লালগালিচার মাথায় থামা অবস্থায় সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করে। এরপর জাতীয় সংগীত বেজে উঠে। এরপর প্রধানমন্ত্রী সুইচ চাপার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরে স্থাপিত ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে ক্ষণগণনা শুরু হয়। একই সঙ্গে দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে শুরু হয় ক্ষণগণনা।

:: শেয়ার করুন ::

Comments

comments


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  
ফেইসবুক পাতা

error: কপি করা নিষেধ!!