• ব্রেকিং নিউজ

    দৈনিক রুদ্রবার্তা পত্রিকার সংবাদে বিদ্যুৎ পেল দক্ষিণ তাঁরাবুনিয়াবাসী

    রুদ্রবার্তা প্রতিবেদক

    প্রকাশিত: ১৮ আগস্ট ২০১৮ সময়: ৯:১৩ অপরাহ্ণ 120 বার

    দৈনিক রুদ্রবার্তা পত্রিকার সংবাদে বিদ্যুৎ পেল দক্ষিণ তাঁরাবুনিয়াবাসী

    অপেক্ষা, বিক্ষোভ ও আন্দোলনের এক পর্যায়ে দৈনিক রুদ্রবার্তা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর সখিপুরের দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ২টি গ্রামে ৩১৪ জন পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্য থেকে ১৬৪ জন গ্রাহক শুক্রবার বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে। ইতোমধ্যে কতিপয় দালাল ২৪৮ জন গ্রাহকের মিটারের টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করায় এ বিড়ম্বনায় পরেছিলো গ্রাহকগণ।
    পল্লী বিদ্যুত সমিতির ডিজিএম মো. মিজানুর রহমান গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, “যে সকল গ্রাহকগণ মিটারের টাকা জমা করেনি তারা যত তাড়াতাড়ি মিটারের টাকা জমা করবে তত তাড়াতাড়ি মিটার ও বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে”। ফরিদ আহমেদ মাল নামে স্থানীয় এক সমাজ সেবক বলেছেন, “গরীব অসহায় গ্রাহকগণ যারা মিটারের টাকা জমা করতে পারছে না তাদের আর্থিক সহায়তা করব”।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১ বছর পূর্বে ভেদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন তাঁরাবুনিয়া ইউনিয়নের মোহাব্বত মোল্যার কান্দি ও দুদু মিয়া বেপারীর কান্দি গ্রামে বিদু্েযতর খুটি স্থাপন ও তার টানা হয়। গ্রাম দুটিতে ৩১৪ জন গ্রাহক মিটার পেতে আবেদন করে। এদের মধ্য থেকে ২৪৮ জন গ্রাহকের টাকা কতিপয় দালাল আত্মসাৎ করতে চেষ্টা করে। অনেক অপেক্ষা, আন্দোলন-বিক্ষোভ ও গণমাধ্যমের সহায়তায় দালালদের কাবু করে আজ তাদের গ্রাম বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে।
    গতকাল সকাল ১০টার সময় শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতির ডিজিএম মো. মিজানুর রহমান ১৬৪টি মিটারের সংযোগ স্থাপণ করে গ্রাহকদের মাঝে বিদ্যুতের সুবিধা পৌঁছে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিন তাঁরাবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুর রহিম নান্নু মাল, শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সখিপুর অঞ্চলের পরিচালক টিউলিজ রহমান কলি, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ফরিদ আহমেদ মাল প্রমূখ।
    ডিজিএম মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে কোন সমস্যা ছিল না। স্থানীয় সমস্যার কারণে গ্রাহকগণ বিলম্বে বিদ্যুত পেয়েছে। ৩১৪ জন গ্রাহকের মধ্য থেকে ১৬৪ জন মিটারের টাকা জমা করেছে। আজ তাদের সংযোগ প্রদান করা হল। অবশিষ্ট গ্রাহকগণ যত তাড়াতাড়ি মিটারের টাকা জমা করবে তাদের তাড়াতাড়ি মিটার ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে।
    এ সময় সমাজ সেবক ফরিদ আহমেদ মাল বলেন, সাধ আছে সাধ্য নাই এমন গ্রাহকদের বিদ্যুৎ পেতে আমি সহায়তা করেছি। এর পরেও যদি কেউ মিটারের টাকা জমা করতে না পারে তার মিটারের টাকা আমি দিব। তিনি ডিজিএম এর উদ্দেশ্যে বলেন, আমি আর্থিক সমস্যা সমাধান করব, আপনি অফিসিয়াল দিকটা ম্যানেজ করবেন।

    :: শেয়ার করুন ::

    Comments

    comments

    সংবাদটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন

    দৈনিক রুদ্রবার্তা/শরীয়তপুর/১৮ আগস্ট ২০১৮/


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে দৈনিক রুদ্রবার্তা

  • error: নিউজ কপি করা নিষেধ!!