• ব্রেকিং নিউজ

    চর-পালং এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ

    রুদ্রবার্তা প্রতিবেদক

    প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০১৮ সময়: ৯:০৯ অপরাহ্ণ 338 বার

    চর-পালং এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ

    শরীয়তপুর সদর উপজেলার চর-পালং এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা নোটিশ প্রাপ্ত হয়েও অন্যের জমিতে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ করছে এক ইতালী প্রবাসীর স্ত্রী। বিষয়টি বাদীপক্ষ পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবগত করেছে।
    মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নড়িয়া উপজেলার ভূমখাড়া গ্রামের ইতালী প্রবাসী আ. মান্নান সরদার ও তার স্ত্রী আসমা বেগম পালং গ্রামের আব্দুল খালেক বেপারীর কাছ থেকে পালং মৌজার এস.এ ৫০২ নং খতিয়ানের ২৩১/৪১৬, ২৫৩/৪১৫ ও ২৪৬/৪৯১ নং দাগের ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে। পরবর্তীতে আসমা বেগম তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি উপেক্ষা করে আ. গনি বেপারীর ২৪৬/৩৯০ নং দাগের জমিতে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করে। গণি বেপারী প্রথমে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করে। আদালতের রায় বাদীর অনুকূলে আসে। তবুও বিবাদী আসমা বেগম বাদীর জমিতে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে বাদী পক্ষ যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে দেওয়ানি ১০০/২০১৮ নং মোকদ্দমা দায়ের করে। বিবাদী পক্ষ আদালত অমান্য করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাদী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৯ আগষ্ট নালিশী জমিতে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ প্রদান করে। ২০ আগষ্ট আদালতের জারিকারক আদালতের আদেশ বিবাদী আসমা বেগমের কাছে নিয়ে যায়। আসমা বেগম আদালতের আদেশ রাখতে রাজী না থাকায় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা আদেশ লটকাইয়া জারী করে। এরপরও আসমা বেগম নালিশী জমিতে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
    জমির প্রকৃত মালিক আ. গণি বেপারী বলেন, আমি বিবাদীদের কাছে জমি বিক্রি করিনি। বিবাদীগণ অন্যের জমি ক্রয় করে আমার জমিতে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ করছে। আমি আদালতে মামলা করেছি। আদালত আগামী ১২ সেপ্টেম্বর তারিখ পর্যন্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বিবাদী আসমা বেগম আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দাড়িয়ে থেকে শ্রমিক দিয়ে তরিঘরি করে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ করছে। বিষয়টি পালং থানায় অবগত করেছি।
    এ বিষয়ে আসমা বেগম জানায়, এ জমি নিয়ে আদালতে কোন মামলা নাই। আমি আদালতের কোন আদেশ পাইনি।
    শরীয়তপুর জজ আদালতের জারীকারক আক্কাছ ছৈয়াল ও সাব্বির তালুকদার জানায়, আদালতের নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করার জন্য বিবাদী আসমা বেগমের বাড়ি যাই। আসমা বেগম নোটিশে স্বাক্ষর করতে রাজি হয়নি। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনদের স্বাক্ষর নিয়ে লটকাইয়া নোটিশ জারী করি। নোটিশের কপি বিবাদী আসমা বেগমের হাতে দিয়ে আসি।
    পালং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আমি থানায় ছিলাম না। সন্ধ্যার পরে থানায় আসব। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    :: শেয়ার করুন ::

    Comments

    comments

    সংবাদটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন

    দৈনিক রুদ্রবার্তা/শরীয়তপুর/২০ আগস্ট ২০১৮/


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে দৈনিক রুদ্রবার্তা

  • error: নিউজ কপি করা নিষেধ!!