• ব্রেকিং নিউজ

    নদী ভাঙ্গন নিয়ে সরকারের তৎপরতা বিষয়ে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

    রুদ্রবার্তা প্রতিবেদক

    প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সময়: ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ 149 বার

    নদী ভাঙ্গন নিয়ে সরকারের তৎপরতা বিষয়ে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

    শরীয়তপুরে নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় সরকারের তৎপরতা বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করছেন জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের। ছবি- দৈনিক রুদ্রবার্তা

    বুধবার বিকেল ৫টায় শরীয়তপুরের সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করেছেন জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মোতাকাব্বির আহমেদ, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিনিয়া জিন্নাত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধি, শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়েল নবযোগদানকৃত সহকারী কমিশনার বৃন্দ।
    জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া ও প্রিন্ট মিডিয়ায় পদ্মা নদীর ভাঙ্গন কবলিত মানুষের সংবাদ প্রকাশ করেছে। মিডিয়া গুলো ভাঙ্গন কবলিত মানুষের সংবাদ বার বার প্রচার করায় প্রধানমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নৌপরিবহন মন্ত্রী, দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রী পদ্মা নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় পরিদর্শন করছেন। সরকারের পক্ষ থেকে ভিটেমাটি হারানো লোকদের ত্রাণ, নগদ অর্থ ও টিন দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। নদীর তীর রক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রী ১১ শত কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। একই সাথে নদী ড্রেজিং এর কাজ শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরী প্রতিরক্ষা মূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অক্টোবরের শেষ নাগাদ তীর রক্ষা বাঁধের কার্যক্রম শুরু হবে।
    ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে জিআর ঢেউটিন ১০ হাজার ১৬২ বান্ডিল, গৃহনির্মাণ বাবদ ৩ কোটি ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার টাকা, জিআর ক্যাশ ৫ কোটি ৮ লক্ষ ১০ হাজার টাকা, জিআর চাল ৫ লক্ষ মেট্রিক টন চেয়ে চাহিদাপত্র প্রেরণ করেছি। ইতিমধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ৫ হাজার ২শ বান্ডিল ঢেউটিন এবং প্রতি বান্ডিল টিনের সাথে ৩ হাজার করে টাকা, জিআর ক্যাশ ৫০ লক্ষ টাকা ও জিআর চাল ২শ মেট্রিক টন চাউল ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে ইস্যু করেছেন।
    তিনি আরও বলেন, নড়িয়া উপজেলায় ২টি আশ্রয়ন প্রকল্প ও একটি গুচ্ছ গ্রাম প্রকল্পের কাজ চলমান আছে। দ্রুত গতিতে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। নির্মাণ কাজ শেষ হলে নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আবাসন ব্যবস্থা করা হবে।
    তিনি ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ্য করে বলেন, নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫ দিন যাবৎ ভাঙ্গন স্থিতিশীল রয়েছে। খুলনা শিপইয়ার্ড এর প্রতিনিধি তীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ শুরু করার জন্য প্রস্তুত আছেন। নদীর তীব্র ¯্রােতের কারণে কাজটি এ মুহুর্তে শুরু করা যাচ্ছেনা। শুকনো মৌসুমের শুরুতেই অক্টোবরের শেষ নাগাদ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।

    :: শেয়ার করুন ::

    Comments

    comments

    সংবাদটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন

    দৈনিক রুদ্রবার্তা/শরীয়তপুর/২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮/


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক রুদ্রবার্তা

  • error: নিউজ কপি করা নিষেধ!!