শরীয়তপুর রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, ১০ ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
আজ রবিবার | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং

শরীয়তপুর-নাগেরপাড়ায় ফসলী জমিতে মাটি কাটায় ড্রেজার পুড়িয়ে দিল প্রশাসন

শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০ | ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ | 1612 বার

শরীয়তপুর-নাগেরপাড়ায় ফসলী জমিতে মাটি কাটায় ড্রেজার পুড়িয়ে দিল প্রশাসন

ফসলী জমির মাটি ইট ভাটায় নেয়া শরীয়তপুরের ইতিহাসে পূরনো ঘটনা কিছু অবৈধ খননযন্ত্র (ড্রেজার) দিয়ে ফসলী জমির মাটি নিয়ে রাস্তা নির্মাণের ঘটনা ঘটার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে ফসলী জমিতে মাটি কাটার কারনে ড্রেজার পুড়িয়ে দিল গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আলমগীর হোসেন ও সহকারি কমিশনার(ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। এতে পার্শ্ববর্তী ফসলী জমি হুমকিতে পড়ছে বলে জানিয়েছিলো জমির মালিকগণেরা।
দেখা গেছে, মংলা-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের শরীয়তপুর অংশের আমিন বাজার-নাগেরপাড়া সড়কে কার্পেটিং রাস্তা প্রসস্তকরণ সহ সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। সেই সড়কে মুন্সীরহাট বাজারের পার্শ্ববর্তী উত্তর ভদ্রচাপ এলাকায় রাস্তা প্রসস্তকরণের জন্য ভ্যাকু মেশিন দিয়ে সড়কের দুই পাশে গভীর গর্ত করা হয়েছিল। সড়কের সেই গর্ত ভড়াট করার জন্য ঠিকাদার মাসুদ স্থানীয় সুমন মীরদের ফসলী জমিতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে জমির তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করা হয়েছিল। এতে পার্শ্ববর্তী ফসলী জমি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছিল জমির মালিকগণ।
জানা যায়, ঠিকাদার ড্রেজার মালিককে প্রস্তাব করেছে প্রতি ঘণফুট মাটির জন্য আমাকে ২ টাকা দর দিবে। এতে সে হিসাব করে দেখে প্রতি শতাংশ জমি থেকে আমি ২০/৩০ হাজার টাকারও বেশী মাটি উত্তোলন করতে পারবে সে। অনেক টাকা ইনভেস্ট করেও সে সেই পরিমান ফসল পাবে না। তাই ফসলী জমি থেকে মাটি বিক্রি করতে রাজী হয় সে। এতে পার্শ্ববর্তী জমি ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা আছে কিনা তা নিয়ে ভেবে সে দেখে নাই।
পার্শ্ববর্তী জমির মালিকগণ থেকে জানা যায়, এক সপ্তাহের বেশী সময় ধরে ড্রেজার বসানো হয়েছিল। রাতদিন করে ড্রেজার চলতেছিলো। সুমন মীরদের জমি থেকে প্রায় ১৫/২০ ফুট গভীর করে মাটি উত্তোলন করছে। এখন অন্যান্য জমি সহকারে ফাটল ধরেছে। দ্রুত মাটি উত্তোলন বন্ধ না করলে আমাদের তিন ফসলী জমি নষ্ট হয়ে যেত।

:: শেয়ার করুন ::

Comments

comments


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  
ফেইসবুক পাতা

error: কপি করা নিষেধ!!