• ব্রেকিং নিউজ

    শরীয়তপুর জেলার ৩৫তম জন্মবার্ষিকী পালন

    রুদ্রবার্তা প্রতিবেদক

    প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০১৯ সময়: ৮:২৭ পূর্বাহ্ণ 32 বার

    শরীয়তপুর জেলার ৩৫তম জন্মবার্ষিকী পালন

    ১ মার্চ শুক্রবার পালিত হল শরীয়তপুর জেলার ৩৫তম জন্মবার্ষিকী। বিকেল ৫ টায় শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনে এ্যাডভোকেট সুলতান হোসেন মিয়া সভাকক্ষে হাজী শরীয়তুল্লাহ আলোকিত শরীয়তপুর সংগঠনের আয়োজনে এ জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়।
    হাজী শরীয়তুল্লাহ আলোকিত শরীয়তপুর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এড. মুরাদ হোসেন মুন্সীর সভাপতিত্বে কেক কেটে জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। এর পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শরীয়তপুর জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবধিকার কমিশনের শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি এড. মাসুদুর রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন শরীয়তপুর জেলার সভাপতি আহসান উল্লাহ ইসমাইলি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি ওয়াদুদ মিয়া, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের শরীয়তপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসান মাসুউদ খান, বিজ্ঞান ও সাহিত্য চর্চা কেন্দ্রের শরীয়তপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বাইজিদ, জাগো শরীয়তপুরের মুখপাত্র আমিনুল জেট, শরীয়তপুর ফিল্ম সোসাইটি আহবায়ক জাহিদ হাসান রনি, নিরাপদ সড়ক চাই শরীয়তপুর জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক সোহাগ খান (সুজন), প্রথম আলো বন্ধু সভা শরীয়তপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, অংকুর থিয়েটারের আহবায়ক আনিছুর রহমান, শরীয়তপুর সাইকিলিষ্ট আঃ মোতালেব সুমন, কবি ও শিক্ষক সুপ্তা চৌধুরী, নিরাপদ সড়ক চাই শরীয়তপুর জেলা শাখার কোষাধ্যক্ষ আজিজুল হাকিম, জিল্লুর রহমান খান, মাহবুবুর রহমান খান, ফজলুর রহমান খান, মোঃ রফিকুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।
    এ সময় এড. মুরাদ হোসেন মুন্সী তার বক্তব্য বলেন, কবি রথীন্দ্র ঘঠক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব সুলতান হোসেন মিয়া, সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালু, অ্যাডভোকেট রাজ্জাক সিকদারসহ যারা শরীয়তপুর জেলা প্রতিষ্ঠায় আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    পরে জেলার বিভিন্ন খ্যাতনামা ব্যক্তিবর্গ ও জেলার বিভিন্ন ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। শরীয়তপুর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারন সম্পাদক অ্যাভোকেট মুরাদ হোসেন মুন্সী জানান, শরীয়তপুর জেলা প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আর কেউ কখনও পালন করেননি। আমরা গত পাঁচ বছর যাবত এ জেলার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করে আসছি। আগামীতে জেলার সকল শ্রেণির লোকজনদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
    জানা যায় প্রশাসনিক সুবিধার্থে মাদারীপুরের বৃহৎ পূর্বাঞ্চল নিয়ে একটি পৃথক মহকুমা গঠনের প্রয়াস ১৯১২ সাল হতেই নেয়া হয়েছিল। এর পরে পাকিস্তান সৃষ্টির বাংলাদেশের অভ্যুদয় নতুন প্রশাসনিক দৃষ্টি ভঙ্গি গঠন করতে সহায়তা করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় মাদারীপুরের পূর্বাঞ্চল নিয়ে একটি নতুন মহকুমা গঠিত হবে।
    বিষয় নির্বাচনী কমিটির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক বৃটিশ বিরোধী তথা ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়ত উল্লাহর নামানুসারে এর নাম করণ হয় শরীয়তপুর এবং এর সদর দপ্তরের জন্য পালং থানা অঞ্চলকে বেছে নেয়া হয়। ১৯৭৭ সালের ১০ ই আগষ্ট রেডিওতে সরকার কর্তৃক মহকুমা গঠনের ঘোষণা দেয়া হয় এবং ঐ বছরের ৩রা নভেম্বর এ মহকুমার আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন উপদেষ্টা আবদুল মোমেন খান।
    প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন আমিনুর রহমান। এর পর রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোঃ এরশাদ সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের ফলে শরীয়তপুর মহকুমাকে জেলায় রূপান্তর করা হয়। ৭ই মার্চ ১৯৮৩ সালে জেলা গঠনের ঘোষণা হয়।
    ১৯৮৪ সালের ১লা মার্চ শরীয়তপুর জেলার শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন তথ্য মন্ত্রী নাজিম উদ্দিন হাশিম। বর্তমান শরীয়তপুর বাংলাদেশের পুরাকীর্তি নিদর্শনের অন্যতম জেলা হলেও এখানে আধুনিক উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি এখনো। প্রতি মূহুর্তই রাস্তা ঘাটে চলতে মানুষ বিপদ মনে করে এত্তো ভাঙ্গাচোরা রাস্তা যে অন্যসব জেলার গাড়ি আসতে চায়না এই অন্যতম একটি জেলায়।

    :: শেয়ার করুন ::

    Comments

    comments

    সংবাদটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন

    দৈনিক রুদ্রবার্তা/শরীয়তপুর/০৩ মার্চ ২০১৯/


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত


    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক রুদ্রবার্তা

  • error: নিউজ কপি করা নিষেধ!!