• ব্রেকিং নিউজ

    শরীয়তপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

    রুদ্রবার্তা প্রতিবেদক

    প্রকাশিত: ০৩ জুন ২০১৯ সময়: ৪:১৬ পূর্বাহ্ণ 249 বার

    শরীয়তপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

    দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শরীয়তপুরে বিপনী বিতান ও গার্মেন্টস গুলিতে জমে উঠেছে ঈদের কেনা-কাটা। রমজান শেষ হতে আর কিছু দিন বাঁকি থাকলেও নিজেদের চাহিদা মতো পছন্দের পোশাক কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নারীদের পাশাপাশি পুরষেরাও। জেলা শহরের দুবাই প্লাজা, সৌদিয়ান মার্কেট, পালং উত্তর বাজারের বিপনী বিতান ও গার্মেন্টসের দোকান গুলিতে এবং ফুটপাতে এখন উপচেপড়া ভীড়। এছাড়া জুতোর দোকানেও ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
    ঈদের আনন্দ পরিবারের সকলের মাঝে ভাগাভাগি করে নিতে বিপনী বিতান ও গার্মেন্টস গুলিতে পরিবার নিয়ে ঘুরেছেন অনেকেই। রমজানের শেষ শুক্রবার সকাল থেকে জেলা শহরের বিভিন্ন মার্কেটগুলি ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি বিপনী বিতানগুলিতে বিভিন্ন অফারের ব্যানার আর লাল-নীল আলোক সজ্জায় সাজানো রয়েছে। জৈষ্ঠ্যের ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করে শপিংমল ও মার্কেটগুলিতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীর ছিলো।
    ঈদ উপলক্ষে গার্মেন্টস দোকানগুলিতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচা-কেনা। ঈদের বেচা-কেনায় দোকানীরা এতটাই ব্যস্ত যেন দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের। নিজের পছন্দের পোশাকটি খুঁজে পেতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটছেন অনেকে।
    এসময় ঈদে কেনা-কাটা করতে আসা জসিম মাদবর নামের এক ক্রেতার সঙ্গে কথা হয় প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, ‘ছোট মেয়ে নিয়ে পরিবারের জন্য নতুন পোশাক কিনতে এসেছি, এখনো পছন্দ করে উঠেতে পারি নাই। তাই দোকানগুলি ঘুরে দেখছি।’
    সৌদিয়ান মার্কেটে ঈদের কেনা-কাটা করতে আসা রানা আহম্মেদ বলেন, ‘ঈদে নিজের জন্য একটি পাঞ্জাবী ও পরিবারের অন্যদের জন্য নতুন পোশাক কিনেছি। এবছর বাজারে অনেক নতুন পোশাক এসেছে তবে দামটা একটু বেশিই নিচ্ছে।’
    পালং উত্তর বাজারে ঈদের কেনা-কাটা করতে আসা সামিয়া ইসলাম বলেন, ‘আম্মু ও আব্বু কে নিয়ে ঈদের মার্কেট করতে এসেছি। ছোট ভাইয়ের জন্য পাঞ্জাবী, আম্মুর জন্য শাড়ী, আব্বুর জন্য পাঞ্জাবী ও নিজের জন্য থ্রিপিস কিনেছে।’
    গার্মেন্টসের দোকানী সোহাগ ও আল-আমিন বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের চাহিদামতো রুচিসম্পন্ন পোষাকে দোকান ভরপুর রয়েছে। দাম বেশি নেওয়ার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পন্যের মান হিসেবে এবছর দাম ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। বেচা-কেনা কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে তারা বলেন, এখনো ঈদের কয়েকটি দিন বাঁকি রয়েছে সে হিসেবে এবছর বিক্রয় ভালো হচ্ছে। আশা করছি এবছর ঈদের লক্ষ্যমাত্রা পুরন হবে।’
    এবছর মার্কেটগুলিতে শিশু, তরুণ-তরুণীদের জন্য ১ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকার মধ্যে ফ্রক, জিপসি, লেহেঙ্গা, থ্রিপিচ, ফ্লোরটাচ, সিনথেটিক ফ্রক, ভারতীয় সিনেমার নায়িকাদের পোষাক, সাবিয়া জামা ও বোরকা বিক্রয় হচ্ছে। গ্যাস সিল্ক, দোতারী সিল্ক, সিল্ক জামদানী, মিরপুরের লেহেঙ্গা শাড়ী, টাঙ্গাইলের সুতিকাতান, বেনারসী কাতান, স্বর্ণ কাতান ও পাকিজা প্রিন্ট শাড়ী বিক্রয় হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। ছেলেদের রাজশাহী সিল্ক পাঞ্জাবী, ইন্ডিয়া কিউজি পাঞ্জাবী, সুতি, খদ্দর, প্রিন্ট পাঞ্জাবী, সেরওয়ানী, তৈরী শার্ট, গেঞ্জী, প্যান্ট ও শার্টের পিচ বিক্রয় হচ্ছে পাঁচশত থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রয় হচ্ছে।

    :: শেয়ার করুন ::

    Comments

    comments

    সংবাদটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন

    দৈনিক রুদ্রবার্তা/শরীয়তপুর/০৩ জুন ২০১৯/


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত


    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০  
  • ফেসবুকে দৈনিক রুদ্রবার্তা

  • error: নিউজ কপি করা নিষেধ!!