শনিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২২ ইং, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
শনিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২২ ইং

শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সরকারের কর্মসূচি

শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সরকারের কর্মসূচি

প্রতিবছরের মতো এবারও ২১ শে ফেব্রুয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘শহিদ দিবস ও অন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৯ উদ্যাপন উপলক্ষে গত ১৫ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ কর্মসূচি গৃহীত হয়।
২১ শে ফেব্রুয়ারি দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনসমূহে সঠিক নিয়মে ও মাপে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাত্রির প্রথম প্রহরে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। মন্ত্রীবর্গ, উপদেষ্টাগণ এবং কূটনীতিবিদগণ ও শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন। এরপর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানাবেন। দিবসটি পালন উপলক্ষে জাতীয় অনুষ্ঠানের সাথে সঙ্গতি রেখে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহ ইতিমধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বাংলা একাডেমি ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মাসব্যাপী বইমেলার আয়োজন করেছে। আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানির আয়োজনসহ দেশের সকল উপাসনালয়ে ভাষা শহিদদের রূহের মাগফেরাতের জন্য প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং দিবসটি পালনে নিয়োজিত সকল প্রতিষ্ঠান ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কদ্বীপসমূহ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাজনক স্থানসমূহে বাংলাসহ অন্যান্য ভাষার বর্ণমালা সংবলিত ফেস্টুন দ্বারা সজ্জিত করা হবে। সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যমসমূহ একুশের অনুষ্ঠানমালা ইতিমধ্যে প্রচার করা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসহ সংলগ্ন এলাকায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় ভ্রাম্যমান টয়লেট স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শহীদ মিনার এলাকায় চিকিৎসা ক্যাম্প স্থাপনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন উপলক্ষে বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, নজরুল ইন্সটিটিউট, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, আরকাইভস্ ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি, কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গ্রন্থমেলা, আলোচনাসভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।


error: Content is protected !!