বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২০ ইং, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২০ ইং

শরীয়তপুর গলায় ফাঁস দিয়ে ১০ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মৃত্যু

শরীয়তপুর গলায় ফাঁস দিয়ে ১০ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মৃত্যু
শরীয়তপুর গলায় ফাঁস দিয়ে ১০ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মৃত্যু

শরীয়তপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ২৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামে ওমান প্রবাসী সাত্তার হাওলাদারের একমাত্র কন্যা সায়মা আক্তার (১৫)। সে শরীয়তপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

গতকাল ২৫ ফেব্রুয়ারী রাত ১২ টার দিকে গণি বেপারী বাড়ির ২তলায় সায়মা তার মা ও ভাইকে নিয়ে একসাথে থাকতেন।

প্রতিবেশী রাজ্জাক বেপারী বলেন, মেয়েটির বাবা ওমান থাকে। শহরে ভালো পড়ালেখা করার সুবাদে প্রবাসীর স্ত্রী এক ছেলে ও একমাত্র মেয়ে সায়মাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

রাত ১২ টার সময় আমরা জানতে পারি সায়মা সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যুবরণ করে। মেয়ের বাবা মৃত্যুর খবর শুনে ওমান থেকে বাংলাদেশে রওনা হয়েছে। এর চেয়ে বেশী কিছু জানি না। মেয়েটির সাথে কোন ছেলের সম্পর্ক ছিলো কিনা? এই প্রশ্নে তিনি বলেন,মেয়েটি সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ে ১০ শ্রেণীতে পড়ে। তার বান্ধবীরা হয়তো জানবে কারো সাথে সম্পর্ক আছে কি না?

বুূধবার বেলা দেড় টায়, শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে আশা এসআই আনিস বলেন, আমরা হাসপাতাল সূত্রে বিষয়টি জানতে পেরে এখানে এসেছি। মেয়ের কনো অভিভাগকে এখন পর্যন্ত পাইনি। তারা কেউ যোগাযোগ করেনি। আমি হাসপাতলে এসে মেয়ের গায়ে অন্যকোনো দাগের চিহ্ন পায়নি। গলায় দড়ি দিয়ে মরলে যে সিমটম পাওয়া যায়। আমরা তাই পেয়েছি। পোস্টমর্টেম চলছে। রিপোর্টে অন্য কিছু আসলে। আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো।

সায়মার চাচা বাবুল হাওলাদার বলেন, আমি ঢাকায় থাকি। আমি এসে আমার ভাতিজি যে বাসায় ভাড়া ছিলো। সেখানে গিয়ে প্রতিবেশী এক মহিলা জানান, সয়ামাকে একটি ছেলে ভালবাসতো। কিন্তু সায়মা তাকে ভালোবাসতো না। মেয়ের মা ছেলেটি চিনে।

এবিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম বলেন, এঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।