মঙ্গলবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২১ ইং, ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ই রমজান, ১৪৪২ হিজরী
মঙ্গলবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২১ ইং

শরীয়তপুরে গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় ইকবাল হোসেন অপু এমপি

শরীয়তপুরে গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় ইকবাল হোসেন অপু এমপি

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠণের আয়োজনে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জ্বল, সদস্য এড. আলমগীর মুন্সী, সদস্য এড.জহিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তাফা, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আমির হোসেন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সভাপতি শেখ আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম সরকার, কৃষক লীগের আহবায়ক শামসুল হক আকন্দ, জেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক মতো ওয়াদুদ সরদার, জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মহাসিন মাদবর, জেলা ছাত্রলীগের নেতা, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান শাওন সহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বক্তারা বলেন, ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে বর্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যা স্মরণে বাংলাদেশ সরকার ২০১৭ সাল থেকে জাতীয়ভাবে গণহত্যা দিবস পালন করে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনও পৃথক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠণ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের পূর্ব পরিকল্পিত অপারেশন সার্চলাইটের নীলনকশা অনুযায়ী আন্দোলনরত বাঙালিদের কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরোচিত ও নিকৃষ্টতম গণহত্যা শুরু করে। একাত্তরের ২৫ মার্চের গণহত্যা শুধু একটি রাতের হত্যাকাণ্ডই ছিল না, এটা ছিল মূলত বিশ্বসভ্যতায় এক জঘন্যতম গণহত্যার সূচনা মাত্র।

তারা আরও বলেন, ২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদ জাতীয় ‘গণহত্যা দিবস’ ঘোষণা বিষয়ক একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। সংসদ সদস্য শিরিন আখতারের উত্থাপিত ওই প্রস্তাবে দিবসটির স্বীকৃতি আদায়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের কথাও উল্লেখ রয়েছে। পরে ২০ মার্চ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৫ মার্চকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত একটি দিবস হিসেবে ‘গণহত্যা দিবস’ ঘোষণা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি পালনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।