বৃহস্পতিবার, ৬ই মে, ২০২১ ইং, ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে রমজান, ১৪৪২ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ৬ই মে, ২০২১ ইং

শরীয়তপুর চোর ও মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী প্রতিকার চেয়ে থানায় আবেদন করেছে

শরীয়তপুর চোর ও মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী প্রতিকার চেয়ে থানায় আবেদন করেছে

শরীয়তপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড পালং এলাকায় উশৃঙ্খল চোর, ডাকাত, মাদকসেবী ও মাদক ব্যাবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে এদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে এলাকাবাসী পালং মডেল থানায় লিখিত আবেদনও করেছেন।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতি পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড পালং এলাকায় উশৃঙ্খল চোর, ডাকাত, মাদক সেবী ও মাদক বিক্রেতাদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এদের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। তাই এদের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে গত ৬ এপ্রিল বিকেলে পালং বেপারী বাড়ীর উন্মুক্ত আঙ্গীনায় ১ নং ওয়ার্ডের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ কোতোয়াল।

১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বেপারীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, এ্যাড. আসাদ খান মিলন ও ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সাইফুর রহমান রাজ্জাক মোল্যা। এছাড়া এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ সাধারন এলাকাবাসী সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় এলাকার চিহ্নিত ৭ জন উশৃঙ্খল চোর, ডাকাত, মাদক সেবী ও মাদক বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ওই চিহ্নিত সাতজন হলেন, শান্তিনগর এলাকার আজিজুল হকের ছেলে লিটন (২২) ও মিঠুন (২০), শাহিন বেপারী (৫০) ও তার ছেলে আরিফ বেপারী (২০), আমির হোসেনের স্ত্রী রসনা ও ছেলে রাসেল (২০) এবং আজিজুল হকের স্ত্রী জরিনা বেগম। এই সাতজন এলাকায় চুরি, ডাকাতি, মাদক সেবন ও মাদক বিক্রয়ের সাথে জড়িত বলে সভায় উপস্থিত এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে।

এলাকাবাসী এদের দ্বারা চুরি, তাকাতির শিকার হয়েছেন বলে সভায় অভিযোগ ওঠে। এ কারণে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পালং মডেল থানাকে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সভায় উপস্থিত উপস্থিত ৫৮ জনের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি লিখিত আবেদন পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে প্রদান করা হয়েছে। পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, যে সাতজনের ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে একজনকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। বাকিদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। মাদক ও চুরি ডাকাতির সাথে জড়িতের কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।