সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং

টিকাদান কর্মসূচির অর্থ লোপাটের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন

টিকাদান কর্মসূচির অর্থ লোপাটের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন

কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম প্রথম পর্যায়ের শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ২০ লাখ টাকা লোপাটের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এই লক্ষ্যে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস সোবহানকে সভাপতি করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোঃ বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্র থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আল বিধান মোহাম্মদ সানাউল্লাহ কে তদন্ত কমিটির সদস্য ও ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শেখ মোস্তফা খোকনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

ঢাকা বিভাগ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, লাইন ডাইরেক্টর ডাঃ মোঃ শামসুল হক কর্তৃক ২০২১ সালের ৩০ মার্চ তারিখে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের জন্য ভেদরগঞ্জ উপজেলার অনুকূলে খাতভিত্তিক আপ্যায়ন, উপজেলা থেকে প্রতিটি ইউনিয়নের ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্ট পযর্ন্ত ভ্যাকসিন লজিস্টিকস পরিবহন, জেলা থেকে উপজেলা পযর্ন্ত ভ্যাকসিন পরিবহন, ভ্রমণ ব্যয়, উপজেলা থেকে টিকাদান কেন্দ্র পযর্ন্ত টিকা পৌঁছানো ব্যায়, কিট বার্নিং এবং সম্মানী ভাতা বাবদ সরকারী অর্থ ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করেন।

সদ্য বিদায়ী ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মেঘনাদ সাহা, এমটিপিআই মো. রতন মিয়া ও প্রধান সহকারী রেজাউল করিম পলাশের যোগসাজসে সরকারী বরাদ্দের সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। বঞ্চিত করা হয়েছে উপজেরার ১৩টি ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের। অনেকদিন পরে হলেও বিষয়টি প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে জেলার সিভিল সার্জন নামমাত্র একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ঢাকা বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোঃ বেলাল হোসেন সিভিল সার্জনের গঠিত তদন্ত কমিটি বাতিল করে ১৭ এপ্রিল তিন সদস্যের নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

তদন্ত কমিটির সভাপতি ডা. আব্দুস সোবাহান বলেন, তদন্তের বিষয়ে অবগত আছি। কমটির সদস্য ও সদস্য সচিব ট্রেনিংএ রয়েছেন। আগামী সপ্তাহে তদন্ত শুরু করতে পারব।