শনিবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২২ ইং, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২রা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
শনিবার, ২৬শে নভেম্বর, ২০২২ ইং

ভেদরগঞ্জ বিদ্যালয় মাঠে ইফতার আলোচনা সভা করতে পারেনি বিএনপি

ভেদরগঞ্জ বিদ্যালয় মাঠে ইফতার আলোচনা সভা করতে পারেনি বিএনপি

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে বিদ্যালয় মাঠে বিশাল আয়োজনে ইফতার ও আলোচনা সভা করতে পারেনি। স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলেন, ইফতার পার্টি করার চেষ্টা করলে তাদেরকে গণগ্রেফতার করা হবে। তাই ইফতার পার্টি করতে পারলাম না। পুলিশ বলছেন, তাদেরকে ইফতার পার্টি করতে বাঁধা দেয়া হয়নি। বিদ্যালয় মাঠে বিনা অনুমতিতে রাজনৈতিক কর্মসুচি না করার জন্য বলা হয়েছে। তারা ইফতারের নামে বিশাল আকারে রাজনৈতিক পেন্ডেল ও মঞ্চ তৈরি করার চেষ্ঠা করেছিলেন ।

সখিপুরের দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি হাবিবুল্লাহ ঢালী ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে গতকাল শনিবার কিরণ নগর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ইফতার পার্টি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। ইফতার পার্টিতে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি শফিকুর রহমান কিরন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সে লক্ষে কিরন নগর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে প্যান্ডেলসহ আনুসাঙ্গিক কাজ করছিল বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার পর বিএনপির ইফতার পার্টির সকল আয়োজন বন্ধ হয়ে যায়।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি শফিকুর রহমান কিরন বলেন, এর আগে নদী ভাঙ্গন কবলিতদের মাঝে ত্রান বিতরনে আমাদেরকে পুলিশের মাধ্যমে বাধাঁ দেয়া হয়েছিল। এখন আবার মাহে রমজান মাসে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ২দিন আগেই বাধাঁ দেয়া হয়েছে। আমরা মনে করি দুটি বাধাঁই একই সুত্রের। বৃহস্পতিবার দুপুরে সখিপুর থানা পুলিশ স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুদ্দিন দর্জীকে প্রথমে টেলিফোনের মাধ্যমে প্যান্ডেল তৈরীর কাজ বন্ধ করে প্যান্ডেল ভেঙ্গে নিয়ে যেতে বলে। প্যান্ডেল ভেঙ্গে না নেয়ায় ওই দিন রাত সাড়ে ৯টার সময় সখিপুর থানা পুলিশ কিরন নগর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ডেকে গত শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে সকল আয়োজন বন্ধ করে প্যান্ডেল ভেঙ্গে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলে।

স্থানীয় ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শাহ্জালাল মাল বলেন, আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে তাদের অনুষ্ঠান বন্ধের জন্য কোন প্রভাব বিস্তার করা হয়নি, প্রশাসনের অনুমতি নিলে হয়তো সমস্য হতো না।

সখিপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল ইসলাম বলেন, ইফতার পার্টির আয়োজনে বাঁধা দেয়া হয়নি। বিনা অনুমতিতে বিদ্যালয় মাঠে রাজনৈতিক কর্মসুচি দেয়া প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এ ধরনের কর্মসুচির আগে জেলা প্রশাসক মহোদয় ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগে। অনুমতি নিয়ে করতে বলা হয়েছে।


error: Content is protected !!