Sunday 25th February 2024
Sunday 25th February 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুরে চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে ভিজিএফ চাল উদ্ধার

শরীয়তপুরে চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে ভিজিএফ চাল উদ্ধার

শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয় ও আটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গরিব অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য সরকারের ভিজিএফ চাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। (রোববার দিবাগত রাত) ৩টার সময় পালং মডেল থানা পুলিশ এ চাল উদ্ধার করেছে। পুলিশ প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছে কালোবাজারে বিক্রির জন্য এ চাল লুকিয়ে রেখেছে পালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন দেওয়ান।
পালং থানা ও পালং ইউপি সূত্রে জানাগেছে, ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষ্যে গরিব অসহায় মানুষের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণের জন্য ৯১০টি কার্ড পেয়েছে পালং ইউপি চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যান আবুল হোসেন দেওয়ান ইউনিয়ন বাসীদের মধ্য থেকে গরিব অসহায় মানুষের তালিকা করে গত ৮ ও ৯ জুন প্রত্যেক কার্ডধারীকে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করে। চাল বিতরণ কার্যক্রম ও বিতরণের সময়সীমা শেষ হয় গত ৮ জুন।
পুলিশ জানায়, গড়ীবের (সরকারী) চাল কালোবাজারে বিক্রি করার জন্য ৫৬ বস্তা চাল পালং আউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজুদ করেছে। গোপন সুত্রে এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ পালং ইউনিয়নের আটপিাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবং চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে ৫৬ বস্ত ভিজিএফএর চাল উদ্ধার করে থানায় নিয় যায়।
এ বিষয়ে পালং ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কামাল হোসেন বাঘা বলেন, ৭শ জন কার্ডধারির মাঝে চাল বিতরণ হয়েছে। ২১০ জন কার্ডধারির মাঝে চাল বিতরণ বাকি আছে। আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চাল বিতরণ করতে পারব। আমাদের গোডাউন থেকে পুলিশ চাল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধান হয়েছে।
চেয়ারম্যান আবুল দেওয়ান বলেন, আমি অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারী চাল মজুদ করেছি এমন ধারণা করে পুলিশ চাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রেজিষ্টার যাচাই বাছাই করে পুলিশ জানতে পারে ২১০ জন কার্ডধারির মাঝে চাল বিতরণ বাকি আছে। এখন চালগুলো ফেরত দিবে পুলিশ।

শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) আব্দুল হান্নান বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারী চাল মজুদ করে সুবিধামত সময় কালোবাজারে বিক্রির জন্য মজুদ করে রাখা হয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে পালং ই্উপি চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫৬ বস্তা চাল উদ্ধার করে পালং থানায় আনা হয়। যাচাই বাছাই শেষে জানা যায়, ২১০ জন কার্ডধারির মাঝে চাল বিতরণ বাকি রয়েছে। কার্ডধারিদের মাঝে বিতরণের জন্য চাল ফেরত দেয়া হবে।