বুধবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২২ ইং, ২০শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৯ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
বুধবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২২ ইং

শরীয়তপুরে হুমকি দিয়ে জমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরে হুমকি দিয়ে জমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুর সদর উপজেলা চর পালং গ্রামে মরিয়ম নামে এক মহিলাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও ভয়ভিতি দেখিয়ে জমি দখল করে ঘর উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে সাবেক কমিশনার কাশেম খানের বিরুদ্ধে।
এই জমি নিয়ে শরীয়তপুর পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে যাহার স্মারক নম্বর ২৮৪০। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পালং থানাকে দেখার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
অভিযোগে সুত্রে জানা গেছে, ৬০ নং পালং মৌজার আর,এস ৬০৫ নং খতিয়ানের ২৬৪নং দাগের ও এস,এ ৫০২ খতিয়ানের ২৬৪ নং দাগের ৭৮ শতাংশ জমির রেকর্ডিয় মালিক একরাম আলি বেপারি। পরবর্তীতে বি,আর,এস পর্চায় অনেকগুলো দাগ হয় তার মধ্যে বি,আর,এস ১০৩৪ নং খতিয়ানের ১৮৭০,১৮৭১,১৮৭৫ নং দাগের ১৩.৮৮ শতাংশ জমির মালিক হন একরাম আলি বেপারির ৩ ছেলে সেকেন্দার বেপারি, এসকান্দার বেপারি, সাজাহান বেপারি ও তার ৪ মেয়ে চন্দ্রভান বিবি, সহরজান বিবি, ময়না বিবি, সাহানাজ বেগম এবং ২ স্ত্রী নুরজাহান বিবি, ছটু বিবি। এর মধ্যে এসকান্দার বেপারির পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ৬ শতাংশ জমি ২৪/১০/২০১১ ইং তারিখে বিক্রি করে দেন তার ভাই সেকেন্দার বেপারির কাছে। পরে এসকান্দার বেপারির কোন জমি না থাকায় এসকান্দার বেপারি ও তার স্ত্রী বিউটি বেগমকে নিয়ে সেকেন্দার বাড়িতেই বসবাস করতো এবং একই বাড়িতে সহরজান বিবি তার মেয়ে মরিয়মকে নিয়ে বসবাস করতো যার হোল্ডিং নম্বর ০৬৪৩-০২। এর পরে ২০১২ সালে এসকান্দার বেপারি মারা গেলে তার স্ত্রী বিউটি বেগম অন্যত্রে বিয়ে করেন এবং সে খানেই বসবাস করেন। ২০১৮ সালে জুলাই মাসে বিউটি বেগম জাল দলিলের মাধ্যমে কাশেম খানের কাছে বিক্রি করেন।
এ বিষয়ে কাশেম খান বলেন, মরিয়ম বেগমের এই বাড়িতে কোন ঘর নাই সে থাকে এই বাড়িতে ভাড়া, আমি বিউটি বেগমের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি কিনছি সেই বলেই জমিতে ঘর উঠানো কাজ করে যাচ্ছি, সেকেন্দার বেপারির ছেলে মেয়েরা ও তার বোনেরা এই দাগে কোন জমি পাবে না অন্য দাগে জমি পাইবো।
মরিয়ম বেগম বলেন, এই জমিতে আমার নানা একরাম আলি বেপারি বসবাস করে গেছে এর পর আমার মা সহর জান বিবি ও আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে থাকি, আমার মামা এসকান্দার বেপারি ও থাকতো সে মারা যাওয়ার আগে তার জমি সেকেন্দার বেপারির কাছে বিক্রি করে যায় তার কোন ছেলে মেয়ে ও নাই তাই এসকান্দার বেপারির স্ত্রী বিউটি বেগম অন্যত্রে বিয়ে বসে সেই খানেই বসবাস করছে। এখন শুনি আমার মামি বিউটি বেগম নাকি এই জায়গা কাশেম খানের কাছে বিক্রি করে দিছে। কাশেম খান অমাকে সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভিতির হুমকি দিয়ি এই জমি দখল করে নিছে।
পালং থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরউজ্জামান বলেন, বিষয়টা আমি দেখেছি অভিযোগকারিকে জমি মেপে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য আসতে বলেছিলাম সে আসে নাই।


error: Content is protected !!