Saturday 13th July 2024
Saturday 13th July 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুর শৌলপাড়া ইউপি’র হারুন মেম্বার মাদক মামলায় হাজতে

শরীয়তপুর শৌলপাড়া ইউপি’র হারুন মেম্বার মাদক মামলায় হাজতে

শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড মেম্বার হারুন মোল্যাকে মাদক মামলায় গ্রেফতার করে হাজতে প্রেরণ করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ। হারুন মোল্যা সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। ইতোপূর্বেও হারুন মোল্যা র‌্যাবের অভিযানে আটক হয়েছিল।
স্থানীয় সূত্র ও মামলার এফ.আই.আর থেকে জানা যায়, পালং মডেল থানার গয়ঘর গ্রামের মৃত ইয়াছিন মোল্যার পুত্র মেম্বার হারুন মোল্যা। হারুন মোল্যা ১৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী কিশোরদের ইয়াবা সেবন ও ব্যবসায় উৎসাহীত করে। তাদের দিয়ে ইয়াবা বিক্রি করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে। গঙ্গানগর এলাকায় এখন প্রকাশ্যে মাদক ক্রয়-বিক্রয় হয়। গত ১৩ আগষ্ট সাহেদ আলী হাওলাদারের পুকুর পাড়ে মাদক বিক্রির সময় হারুন বেপারীর ছেলে আলাউদ্দিন বেপারী (২২), সুনিল শীলের পুত্র তুর্জয় শীল (১৩) কে আটক করে পুলিশ। এ সময় বারেক বেপারীর ছেলে গোলাম হোসেন বেপারী (৩৫) পালিয়ে যায়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী আলাউদ্দিন বেপারী ও তুর্জয় শীল পুলিশকে জানায় মেম্বার হারুন মোল্যার কাছ থেকে ইয়াবা টেবলেট সংগ্রহ করিয়া পরস্পরের যোগসাজসে বিক্রি করছিল। যাহা ১৯৯০ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের পরিপন্থি।
হারুন মোল্যাকে গ্রেফতারের পর মাদক ব্যবসায়ীর বিচারের দাবীতে এলাকাবাসী গঙ্গানগর বাজারে মানববন্ধ করেছে। মানববন্ধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিপ্লব হোসেন কে গঙ্গানগর বাজারে উপস্থিত লোকজরে সামনে হারুন মোল্যার ভাই সেলিম মোল্যা হুমকি প্রদর্শণ ও গালমন্দ করেছে। হাত কেটে ফেলার হুমকিও ছিল বলে সেলিম মোল্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে বিপ্লব।
হারুন মোল্যার বড় ভাই মান্নান মোল্যার কাছে জানতে চাওয়া হয়, “আপনার ভাই হারুন মোল্যা কি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত?” উত্তরে তিনি বলেন, দশজনে বলে হারুন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। আমি বিশ্বাস করিনি। এখন দেখছি ১০জনের কথাই ঠিক।
হারুন মোল্যার চাচাতো ভাই সুরুজ মোল্যা বলেন, আমরা মাদক মুক্ত সমাজ চাই। হারুন মোল্যা ঘরে ঘরে মাদক পৌঁছে দিয়েছে। আমরা সমাজকে মাদক মুক্ত করতে মানববন্ধ করেছি। হারুন মোল্যাদের মত মাদক ব্যবসায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
গঙ্গানগর আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে অদ্যবধি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম মিন্টু কাজী বলেন, প্রশাসনের ছত্রছায়ায় মাদকের বিস্তার লাভ করছে। গঙ্গানগরকে মাদকমুক্ত ঘোষনার পর থেকেই মাদক ওপেন হয়ে যায়। বর্তমানে গঙ্গানগর এলাকায় মাদক ব্যবসা করে হারুন মোল্যা। হারুন মোল্যা মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে সমাজকে ধ্বংস করছে।