Friday 1st March 2024
Friday 1st March 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

ভেদরগঞ্জের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চরফিলিজ জয়নব হাইস্কুল এন্ড কলেজ

ভেদরগঞ্জের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চরফিলিজ জয়নব হাইস্কুল এন্ড কলেজ

মাধ্যমিক পর্যায়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে চরফিলিজ জয়নব হাই স্কুল এন্ড কলেজ। সে উপলক্ষে ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মিয়ার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।
১৯৭৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালের অনুষ্ঠিতব্য এই.চএস.সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬৮.১২ শতাংশ পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৭টি কলেজের মধ্যে চরফিলিজ জনয়ব হাইস্কুল এন্ড কলেজ শ্রেষ্ঠ ফলাফল অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করেছে। বর্তমানে চরফিলিজ জয়নব উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কুল শাখায় ১৩২৯ জন এবং কলেজ শাখায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ণরত রয়েছে। ২৮জন শিক্ষক অক্লান্ত পরিশ্রম করে শিক্ষার মান সমুন্নত রাখছেন। প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বরত অধ্যক্ষ শাহ আলম মিয়ার দিকনির্দেশনা ও সহকারী শিক্ষকদের আধুনিক পাঠদান পদ্ধতিই প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষা করছে।
অপর্যাপ্ত শ্রেণী কক্ষের কারনে শিক্ষার অগ্রগতি অনেকাংশ বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি বিদ্যালয়ের আয় থেকে সম্প্রতি তিন কক্ষ বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করে আধুনক শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখছেন। শ্রেণী কক্ষের আসবাবপত্র তৈরী, বিজ্ঞানাগার ও কম্পিউটার ল্যাব নির্মাণ, বিদ্যালয় মাঠের জলাবদ্ধতা সহ নানামূখী সমস্যার সম্মুখিন হয়েছে এ প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানের প্রধান শাহ আলম মিয়া দীর্ঘদিন কুমিল্লা জেলার মুরাদ নগর মৌচাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ২০১৭ সনে চরফিলিজ স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। সুবিধা বঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তিনি শহরের ন্যায় শিক্ষার্থীদের সুযোগ সুবিধা দিয়ে আধুনিক পাঠদানের ব্যবস্থার কথা মাথায় রাখছেন। সে লক্ষ্যে বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ক্লাসটেষ্ট, ত্রিমাসিক অভিভাবক সমাবেশ এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু হয়েছে। বিদ্যালয়ে তিনি ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা প্রযুক্তি সম্পন্ন শ্রেণীকক্ষ ও ক্যাম্পাস গড়তে সচেষ্ট রয়েছেন। চরফিলিজ জয়নব স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শাহ আলম মিয়া বলেন, এ প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন তাদের সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সকলের সহযোগীতায় আমরা উপজেলার মধ্যে সর্বোত্তম ফলাফল অর্জনে সক্ষম হয়েছি। সকলের সার্বিক সহযোগীতা নিয়ে আগামী ২০১৯ সালের মধ্যে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি ডিজিটাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিণত করতে পারব।