মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

ভেদরগঞ্জে চাচার জমি জোরপূর্বক দখলে নেয়ার অভিযোগ ভতিজার বিরুদ্ধে

ভেদরগঞ্জে চাচার জমি জোরপূর্বক দখলে নেয়ার অভিযোগ ভতিজার বিরুদ্ধে

ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নে চাচার জমিতে জোরপূর্বক পাকা ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে ভাতিজার বিরুদ্ধে। সখিপুর ইউনিয়নের মাঝি কান্দি গ্রামের আজিজল খানের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছে তার চাচা ইদ্রিস খান। নিজের জমি বুঝে পেতে আদালতের আশ্রয় নিয়েছে চাচা ইদ্রিস খান।
সরেজমিন গিয়ে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভেদরগঞ্জ উপজেলার চর সখিপুর মৌজায় আর.এস-৩৮২ এবং এসএ-৫০৭ নং খতিয়ানের মধ্যে থেকে ৫২ শতাংশ জমি ক্রয় করে ইদ্রিস খান ও আজিজুল খানের পিতা ইসমাইল খান। আজিজুল খান পিতার ওয়ারিশ হিসেবে ২৬ শতাংশ জমির দাবীদার। সেক্ষেত্রে আজিজুল চাচা ইদ্রিস খানের ২৬ শতাংশ জমি সহ ৫২ শতাংশ জমি জবর দখলে আছে। ক্রয়কৃত ২৬ শতাংশ জমির বুঝে পেতে চায় ইদ্রিস খান। রাস্তার পাশের জমি হওয়ায় এ ৫২ শতাংশ জমি পুরোটাই আজিজুলের পছন্দ। এ নিয়েই বিভিন্ন সময় মামলা মোকদ্দমা চলছে চাচা ভাতিজার মধ্যে।
কয়েক মাস পূর্বে ইদ্রিস খানের ২৬ শতাংশ জমি দখল করে ভাতিজা আজিজুল খান স্থায়ী পাকা ভবন নির্মান কাজ শুরু করে। ইদ্রিস খানের বাঁধা উপেক্ষা করে ভাতিজা জোরপূর্বক পাঁকা ঘর নির্মাণ করায় ইদ্রিস খান আদালতে মামলা করে। সংশ্লিষ্ট আদালত নালিশী জমিতে সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখর নিমিত্তে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হলে নালিশী জমিতে পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করে আজিজুল খান।
এ বিষয়ে ইদ্রিস খান বলেন, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে নালিশী জমিতে জোর করে আজিজুল ঘর তুলছে। আজিজুল আমার ভাতিজা। আমি আজিজুলকে বলেছি এ জমি তোর বেশী প্রয়োজন হলে অন্য দাগ থেকে সমপরিমান জমি আমাকে দিয়েদে অথবা জমিন ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করেদে। আজিজুল কোন কথাই শুনছে না। জোর করে ঘরের কাজ করছে। আমি নিরিহ মানুষ, সংঘর্ষ পছন্দ করিনা। তাই আদালতে মামলা করেছি।
আজিজুল খান বলেন, আমি কারো জমি দখল করি নাই। আমার চাচা ইদ্রিস খান মিথ্যা অভিযোগ করেছে। রাস্তার পাশে আমাদের ভালো জমি। সেই জমি দখলে নেয়ার জন্য সে বিভিন্ন সময় মামলা করে যাচ্ছে।


error: Content is protected !!