শনিবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং, ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
শনিবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা সম্পন্ন

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা সম্পন্ন

“শিক্ষিত জাতি, সমৃদ্ধ দেশ; শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” শ্লোাগানকে নিয়ে শরীয়তপুরে তিনদিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা সম্পন্ন হয়েছে।
গত শনিবার বিকাল ৪ টায় শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে তিন দিনের মেলা সমাপনী দিনের আলোচনা সভায় শরীয়তপুরের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহেরের সভাপতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সরকারের সচিব, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমীর মহাপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন তালুকদার।
অনুষ্ঠানে ডা. মনির ও প্রভাষক পলাশ রৌথ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল মামুন শিকদার, শরীয়তপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক অনল কুমার দে প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের সচিব, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমীর মহাপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন তালুকদার বলেন, শিক্ষিত জাতি তৈরীতে শিক্ষকের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। শিক্ষিত জাতি পারে বিবেকবান মানুষ সৃষ্টি করতে। একজন বিবেকবান মানুষের দ্বারা দেশ কখনো অপকৃত হবে না। শিক্ষিত হলে উচ্চপদস্থ স্থানে স্থান লাভ করা যায়। কিন্তু শিক্ষিত না হলে তা সম্ভব নয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে আমরা ছিলাম অবহেলিত। কারন, আমরা শিক্ষিত ছিলাম না। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমরা শিক্ষিত হয়েছি। উচ্চ মর্যাদা পেয়েছি ও তার সুফল ভোগ করছি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শিক্ষকরা তাদের সঠিক মর্যাদা পেয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬০০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে রাজস্ব খাতে নিয়ে সরকারীকরন করে শিক্ষকের মর্যাদাকে উচ্চ আসনে আসীন করতে চাচ্ছেন। সবসময় শিক্ষাখাতে সবচেয়ে বেশি বাজেট ব্যয় করা হচ্ছে। এজন্য এ উন্নয়ন মেলার শ্লোগান হচ্ছে, “শিক্ষিত জাতি, সমৃদ্ধ দেশ; শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।”
সমাপনী দিন শনিবার সকাল থেকেই দলে দলে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-শিক্ষক সহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারী-কর্মকর্তাসহ সকল শ্রেণী-পেশার লোকজন উন্নয়ন মেলায় ভীড় করতে শুরু করেন। স্টল গুলোতে বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের সকল সেবা সমূহ তুলে দেখান। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মেলাতে অনেক লোকের সমাগম ছিলো।
জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ, গণপুর্ত, সড়ক ও জনপথ, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পল্লী বিদ্যুৎ, এলজিইডি, সমবায়, সমাজসেবা, জেলা সঞ্চয় অফিস, এসডিএস, নুসা সহ বিভিন্ন স্টলে দর্শনার্থীদের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মত। মেলায় ৮৫টি স্টল বসেছে এবছর।


error: Content is protected !!