Tuesday 25th June 2024
Tuesday 25th June 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুর ‘সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে’ ইমামদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

শরীয়তপুর ‘সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে’ ইমামদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

গতকাল ৬ অক্টোবর শনিবার সকাল ১০ টায় শরীয়তপুর জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শরীয়তপুর ‘উন্নয়ন মেলা২০১৮’-এর সমাপনী দিবসে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ইমামদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে ইমামসহ গরীব ও অসহায়দের মধ্যে যাকাত, ঋণ ও আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বির আহমদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডা: খলিলুর রহমান, সিভিল সার্জন, শরীয়তপুর জেলা; আল-মামুন শিকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, শরীয়তপুর জেলা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, খতিব ও গণশিক্ষা ও সহজ কোরআন শিক্ষার শিক্ষক প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মোহাম্মদ ইদ্রিছ, উপ-পরিচালক, শরীয়তপুর জেলা।
আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুফতি আব্দুর রাজ্জাক, ইমাম ও খতিব, পালং উত্তর বাজার জামে মসজিদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ’ করতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারেন ইমাম সাহেবরা। আমাদের দেশে সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ যাতে সৃষ্টি হতে না পারে এজন্য ইমামগণ জুম্মার খুতবায় আলোচনার মাধ্যমে তা মুসল্লিদের বুঝালেই তা সম্ভব। ইমাম ও খতিবদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল্যায়ন করেন বলেই আজ তাদের সঠিক মর্যাদা দিতে কওমী মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদীসের সনদকে মাস্টার্স সমমান মর্যাদা দিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কণ্যা বলেই এটা তিনি অনুধাবন করতে পেরেছেন।
সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আলোচক হিসেবে মুফতি আ: রাজ্জাক বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ কখনও আলেমরা হতে পারে না। সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে এটা যেমন আমাদের নবী (স:) চাননি। আলেমরা নবী (স:)-এর ওয়ারিশ হিসেবে এটা কামনা করতে পারেন না। সমাজের ভাল মানুষ সৃষ্টিতে আলেমদের ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না। শিশুর নৈতিক শিক্ষাগুরু কিন্তু আলেমগণই। যারা ইসলামী ও নৈতিক শিক্ষার জ্ঞানে পরিপূর্ণ নয়, তারাই সমাজে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে। যারা আল্লাহকে ভয় করে না, রাসূল (সা:) কে আদর্শ মানুষ হিসেবে মেনে নেয় নি, তারাই বিভিন্নভাবে লোভের বশবর্তী হয়ে সমাজ ও দেশকে ধ্বংস করার জন্য সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে। একজন নৈতিক চরিত্রের মানুষ কখনও অন্যায়কে প্রাধান্য দিতে পারে না। আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান বিভিন্ন ইসলামি কর্মকান্ড করে সুনাম অর্জন করে গিয়েছিলেন, তারই সুযোগ্য কণ্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের সঠিক অবদানের মাধ্যমে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন।
সর্বশেষে প্রধান অতিথি কাজী আবু তাহের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ইমাম ও গরীব-অসহায়দের মধ্যে ১০ জনকে যাকাত, ২৪ জনকে ঋণ ও ৪২ জনকে নগদ আর্থিক প্রদান করেন।