সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং

শরীয়তপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আতাউর রহমানসহ ৪ জনের বিদায়ী সংবর্ধনা

শরীয়তপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আতাউর রহমানসহ ৪ জনের বিদায়ী সংবর্ধনা

শরীয়তপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আতাউর রহমান, জেলা যুগ্ন ও দায়রা জজ রিপুতি কুমার বিশ্বাস, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মনিরুজ্জামান ও সহকারি জজ মোঃ হেদায়েত উল্লাহ এর বদলি জনিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২৫ নভেম্বর রোববার রাত ৮ টায় শরীয়তপুর বিচারক ও কর্মচারীবৃন্দ, জেলা জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী আয়োজনে জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
শরীয়তপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম মোছাঃ মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ মাহাবুব আলমের উপস্থাপনায় বদলি জনিত কারনে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বিদায়ী সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আতাউর রহমান, জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের, পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, সিভিল সার্জন ডাঃ খলিলুর রহমান, জেলা যুগ্ন ও দায়রা জজ রিপুতি কুমার বিশ^াস, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মনিরুজ্জামান, সহকারি জজ মোঃ হেদায়েত উল্লাহ, সহকারী জজ আব্দুল্লাহ, নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল আব্দুস সালাম খান, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ শরীফুল ইসলাম প্রমূখ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, দক্ষ ও ভালো মনের একজন বিচারক ছিলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আতাউর রহমান। আমি শুনেছি শরীয়তপুরে সরকারি কর্মকর্তারা যখন বদলি হয় তখন তাদের মন খারাপ হয়। কিন্তু যখন শরীয়তপুরে এসে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন শরীয়তপুরের মানুষের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তার কারণে তাদের ভুলতে পারে না। আমি জেলা প্রশাসক হিসেবে শরীয়তপুরের সকল দফতরের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছি। বিচার বিভাগ এর মধ্যে একটি। রাষ্ট্র একটি সূর্য, আর সে সূর্যের নিচেই আমাদের সকল বিভাগের অবস্থান। আমরা সকলেই সকলের পরিপূরক। প্রত্েযকটি বিভাগই আমাদের দেশের জন্য জরুরি। একটি দেশের বিচারকার্য না থাকলে রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা নষ্ট হয়ে যায়। আর সেই বিচার কার্যের দায়িত্ব যারা পালন করেন, তারা বিচারক। এরকমই একজন দক্ষ, ন্যায়পরায়ন, অন্যায়ের সাথে আপোষহীন শরীয়তপুর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আতাউর রহমানসহ অন্যান্য বিচারকগণ। আমি তাদের উত্তরোত্তর মঙ্গল কামনা করছি।
এছাড়াও অন্যান্য বক্তারা বলেন, মোঃ আতাউর রহমান স্যার আমাদের মাঝে স্মৃতিগুলো রেখে যাচ্ছেন, নিরপক্ষে ভাবে দেখেছেন সবকিছু, অনেক বিচারক কে সংবর্ধনা দেয়া হয়নি। বক্তারা বিদায়ী বিচারকদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং আগামীর কর্মস্থল সুন্দর ও সফলভাবে পরিচালিত হোক বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন।


error: Content is protected !!