Tuesday 28th May 2024
Tuesday 28th May 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এনামুল হক শামীমের মনোনয়ন পত্র দাখিল

শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এনামুল হক শামীমের মনোনয়ন পত্র দাখিল

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক ভিপি, কেন্দ্রী ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীল লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম। বুধবার সকালে শরীয়তপুর-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ কে এম এনামুল হক শামীম আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহেরের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হাসান রাড়ী, সখিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি হুমায়ুন কবির মোল্যা, নড়িয়া উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব বেপারী, নড়িয়া পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদারসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীগণ।
গত ২৫ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু দলীয় কার্যালয় থেকে চিঠি দিয়ে শরীয়তপুর-২ আসনের জন্য এ কে এম এনামুল হক শামীমকে নৌকার চুড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়। এ কে এম এনামুল হক শামীম ১৯৬৫ সালে ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পাইক পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম আলহাজ মোহাম্মদ আবুল হাশেম মিয়া ও মাতার নাম বেগম আশরাফুন্নেসা। পেশাগত জীবনে তার বাবা ছিলেন একজন প্রকৌশলী। এনামুল হক শামীমের দাদা আলহাজ রওশন আলী ছিলেন একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং নানা আব্দুল জলিল মুন্সী ছিলেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। বলা যায়, ছোটবেলা থেকেই রাজনৈতিক আবহে বড় হয়েছেন এনামুল হক শামীম। পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিজেকে অতোপ্রত ভাবে জড়িয়ে নেন।
স্কুল জীবনে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশ সত্ত্বেও জাতির পিতার আদর্শ বুকে নিয়ে যোগ দেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগে। ১৯৭৯ সালে নোয়াখালীর এম এ উচ্চবিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অবস্থায় তিনি স্কুল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাসের পর উচ্চশিক্ষা লাভের ব্রত নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে আরও নিবিড়ভাবে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
এনামুল হক শামীম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে শুরু করে সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বিপুল ভোটে ১৯৮৯ সালে তিনি জাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির পাশাপাশি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়েও তার পরিচিতি ছিল। ১৯৯০ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। সততা, আন্তরিকতা, কঠোর পরিশ্রম ও শেখ হাসিনার প্রতি বিশ্বস্ততা দেখিয়ে এনামুল হক শামীম ধৈয্যের সিঁড়ি বেয়ে ধীরে ধীরে ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্বে পৌঁছে যান। ১৯৯২ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহসভাপতি এবং ১৯৯৪ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির বার্তা নিয়ে তিনি ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ছুটে বেড়িয়েছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। মূলত এনামুল হক শামীমের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের গুণেই ৭৫ পরবর্তী সময়ে আবার সারাদেশে ছড়িয়ে পরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জয় জয়কার। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাসে এনামুল হক শামীমের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে সবসময়। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।