Friday 24th May 2024
Friday 24th May 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

পালং উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

পালং উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ঐতিহ্যবাহী পালং ঊচ্চ বিদ্যালয়ে ২০১৯ সালের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ক্রীড়া অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন, শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হালিম শেখ, আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি ফারুক আহম্মেদ তালুকদার, শরীয়তপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুর রহমান রাজ্জাক মোল্যা, শিক্ষার্থী অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
বিকাল ৩টায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন, শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহাবুর রহমান শেখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র শর্মা, শরীয়তপুর সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. শহীদ হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজর শিরিন সুলতানা প্রমূখ।
উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভপতিত্ব করেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ কোতোয়াল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, লেখাপড়া করে যেমন জ্ঞান অর্জণ হয় তেমনি খেলাধুলা করে সুস্থ দেহের অধিকারী হওয়া যায়। তাই পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রয়োজন রয়েছে। লেখাপড়া ও খেলাধুলার মধ্যে সময় পাড় করলে একজন শিক্ষার্থী অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থাকতে পারে। তোমাদের প্রতি শুভ কামনা রইল, ‘তোমরা পড়ালেখা ও খেলাধুলার মধ্যে সময় পাড় করবে। কোন নেশা যেন তোমাদের স্পর্শ করতে না পারে’।
এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হালিম শেখ বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের অবহেলিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের পথচলা। অবিভাবকগণও অসচেতন। তবুও উপজেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাইতে এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান ও পাশের হার সন্তোষজনক। গত জেএসসি পরীক্ষায় এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান দখল করেছে। আমিও অন্যান্য শিক্ষকদের সহায়তায় শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন দিবস পালন করি। বছরের প্রথম দিন উৎসব করে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই দিয়েছি। এ বিদ্যালয়ের শতাধিক বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখতে চেষ্টা করব।