মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১২ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় কোন দূর্ণীতিবাজদের ঠাই হবে না: সোহাগ পাহাড়

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় কোন দূর্ণীতিবাজদের ঠাই হবে না: সোহাগ পাহাড়

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শরীয়তপুর সদর উপজেলা থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান (সোহাগ পাহাড়) ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে এক নির্বাচনী জনসভা করেছেন। শুক্রবার বিকাল ৪টায় উপজেলার চৌরঙ্গী এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন সোহাগ পাহাড়। এ সময় শরীয়তপুর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে তারুণদের সমন্বয়ে হাজার হাজার নারী-পুরুষ মিছিল নিয়ে সভাস্থলে আসে।
সোহাগ পাহাড় বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় কোন দূর্ণীতিবাজদের স্থান হবে না। আপনারা কোন দূর্ণীতিবাজ নেতার কাছে যাবেন না। তাদের কাছে গিয়ে প্রতারিত হবেন না। তারা আপনাদের সরলতার সুযোগে স্বার্থ হাসিল করে নেয়। আমার নেতা, আপনাদের নেতা ও জনগণের নেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি। আমি তাহার সততা ও কর্মী বান্ধব সুলভ আচরন দেখে প্রেমে পড়ে গেছি। ইকবাল হোসেন অপু ভাইর কোন কর্মী যদি কষ্টে থাকেন তাহলে ঢাকায় বসে তিনি নিরবে কাদেন। প্রত্যেকটা নেতা-কর্মীকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসে ইকবাল হোসেন অপু। তিনি কর্মী বান্ধব এমন নেতা। আমি নিজেকে ধন্য মনে করি এই বলে যে, “আমি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান লোকের আদর্শে রাজনীতি করি”।
সোহাগ আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোয়ন ও প্রতিক বরাদ্দ দেয়া হবে। সেই থেকে আমি চিন্তা করছি যে, আমার নেতা ইকবাল হোসেন অপু পালং-জাজিরার মানুষের জন্য যেভাবে ভাবেন আমি তার একজন কর্মী হিসেবে পালং এর মানুষের জন্য কিছু করা দরকার। আমি আপানাদের জন্য কিছু করতে চাই। প্রয়োজনে আমি আপনাদের দ্বারে দ্বারে যাব। আমার কাছে আপনাদের কারো আসতে হবে না। যেহেতু দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন হবে সেহেতু আমার একটা দায়িত্ব হয়ে গেছে। আমি আপনাদের ভালোবাসা ও দোয়া প্রার্থী। আপনাদের অনুমতি ও সমর্থণ পেলে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি প্রার্থী হব। আমার নেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করব। আমি শরীয়তপুর (ডাক বাংলো) চৌরঙ্গী এলাকায় কিংডম টাওয়ারের নীচ তলায় একটা নির্বাচনী কার্যালয় খুলেছি। আপনারা সকল সময় আমার কাছে আসবেন। আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।
নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা রিক্সা ও ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি সামসুল হক পাহাড়, আ. আলিম তালুকদার, এন্তাজ বেপারী, তুলাসার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মাস্টার আবুল কাশেম বেপারী, মো. আনোয়ার হোসেন সরদার, জেলা শেখ রাসেল সাধারণ সম্পাদক ফারুক সিকদারসহ বিভিন্ন বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীগণ।
উল্লেখ্য. মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ পাহাড় শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বালুচড়া গ্রামের স্বনামধন্য, সুশিক্ষিত ও সমৃদ্ধশালী পাহাড় পরিবারের উদীয়মান সূর্য্য। তিনি হাবিবুর রহমান পাহাড়ের ২ সন্তানের মধ্যে ছোট। সোহাগের পিতা হাবিবুর রহমান পাহাড় শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একজন চাকরিজীবী, মা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানুষ গড়ার কারিগর, বোন সিভিল সার্জন অফিসে পরিসংখ্যানবীদ। সোহাগ পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস শেষে শরীয়তপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে। পরবর্তীতে সোহাগ ইউনাইটেড কিংডম (ইউকে, লন্ডন) থেকে বিবিএ ডিগ্রী লাভ করেন। সর্বশেষ জেড এইচ সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন তিনি।
ছাত্রলীগ রাজনীতিতে সোহাগ পাহাড় একজন সংগঠক ছিলেন। তিনি ২০০৫-২০০৬ সেশনে শরীয়তপুর সরকারি কলেজ থেকে ভিপি পদে প্রার্থী হন। রাজনৈতিক কারণে কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ২০০৪ সালে গঠিত শরীয়তপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটির সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন সোহাগ পাহাড়। আলমগীর হোসেন হাওলাদার সভাপতি ও সিদ্দিকুর রহমান পাহাড়কে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা ছাত্রলীগের যে কমিটি গঠিত হয় সেই কমিটির সদস্য ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ পাহাড়। বর্তমানে সোহাগ পাহাড় জেলা যুবলীগের রাজনীতির সাথে জাড়িত আছেন।


error: Content is protected !!