Thursday 30th May 2024
Thursday 30th May 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুরে আসল কাজী দেখে ভূয়া কাজীর পলায়ন

শরীয়তপুরে আসল কাজী দেখে ভূয়া কাজীর পলায়ন

শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুরে বিবাহ নিবন্ধন করতে গিয়ে এক ভূয়া কাজী পালিয়েছে। কথিত এ ভূয়া কাজী ইতোপূর্বে বিনোদপুর, চিতলিয়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নে অনেক কাবিন ও তালাক নিবন্ধন করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কাজী দ্বারা যে সকল দম্পতির বিবাহ নিবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে তাদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে যে, ‘আদৌ কাবিন বা তালাক নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্য বালাম বহিতে আছে কি’?
স্থানীয় সূত্র জানায়, সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নের মজুমদার কান্দি এলাকার হাফেজ আতাউর রহমান নিজেকে (বিবাহ রেজিস্টার) কাজী দাবী করে চিতলিয়া, বিনোদপুর ও মাহমুদপুর ইউনিয়নে বাল্যবিবাহ থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়স্ক বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন করে আসছে। হাফেজ আতাউর রহমান একজন নিবন্ধিত কাজী কি না তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ছিল। আজ (২৬ এপ্রিল শুক্রবার) বিকাল ৪টায় বিনোদপুর সুবেদার কান্দি গ্রামের আলম মুন্সীর ছেলে রিপন মুন্সীর সাথে একই গ্রামের জলিল সরদারের মেয়ে ফাহিমার বিবাহ নিবন্ধন করার জন্য ভূয়া কাজী হাফেজ আতাউর রহমান কণের বাড়িতে বসে কাবিন নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে। এমন সময় বিনোদপুর ইউনিয়নের নির্ধারিত কাজী মো. শাহ সেকান্দার মোল্যা কণের বাড়িতে উপস্থিত হয়। নির্ধারিত কাজীর উপস্থিতি টের পেয়ে ভূয়া কাজী পরিচয়ের হাফেজ আতাউর রহমান কাগজপত্র গুটিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় এলাকায় পরিস্কার হয়ে যায় হাফেজ আতাউর রহমান একজন ভূয়া পরিচয়দানকারী কাজী।
বিনোদপুর ইউনিয়নের কাজী মো. শাহ সেকান্দার মোল্যা বলেন, আমার এলাকায় হাফেজ আতাউর রহমান কাজী পরিচয়ে বিভিন্ন বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন করে আসছে। ইতোপূর্বে একাধিকবার তাকে সতর্ক করা হয়েছে। সে কোন কথা শুনেনি। আজ সংবাদ পাই হাফেজ আতাউর রহমান বিনোদপুর সুবেদার কান্দি গ্রামে বিবাহ নিবন্ধন করছে। সংবাদ পেয়ে আমি সেখানে যাই। আমাকে দেখে কাজী পরিচয়দানকারী হাফেজ আতাউর রহমান পালিয়ে যায়। পরে সেই বিবাহ আমি নিবন্ধন করি। আজ থেকে ওই এলাকার মানুষ সচেতন হয়েছে। ওই ভূয়া কাজীকে দিয়ে আর কোন কাজ করাবে না।
সদর উপজেলা কাজী সমিতির সভাপতির সাথে আলাপ করে জানা যায়, হাফেজ আতাউর রহমান চিতলিয়া ইউনিয়নের কাজী মাওলানা আ. সালামের সহকারী হিসেবে কাজ করে। কাজী আ. সালাম নিজে দায়িত্ব নিয়ে কোন কাজ করেন না। সমিতির সভা সমাবেশে উপস্থিত হয় না। সেই হাফেজ আতাউর রহমানদের মতো অনেককে দিয়ে কাজ করাচ্ছে। শুনেছি হাফেজ আতাউর রহমান কাজী সালামের আত্মীয় হয়।
হাফেজ আতাউর রহমানের সাথে বারবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। মোবাইল ফোনে কথা হয় হাফেজ আতাউর রহমানের ছেলে মিজানের সাথে। মিজান বলেন, আমার বাবা আজকের বিবাহ নিবন্ধন করেন নি। আমার অনুরোধ থাকবে আজকের বিষয়ে কোন সংবাদ পরিবেশন করবেন না।