মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১২ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

ভেদরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান পুত্রের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক পুকুরের মাছ ধরে নেয়ার অভিযোগ

ভেদরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান পুত্রের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক পুকুরের মাছ ধরে নেয়ার অভিযোগ

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার ডিএমখালির বাসিন্দা দুলাল বেপারীর লিজ নেয়া পুকুরের মাছ জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সখিপুর থানা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগি।
ভূক্তভোগি ও এলাকাবাসী জানায়, সখিপুর থানার ডিএমখালি ইউনিয়নের মাদবরকান্দি গ্রামের দুলাল বেপারী মাছ চাষ করার জন্য ইউনিয়নের মাঝিকান্দি গ্রামের ফারুক মাদরের পুকুর লিজ নেন। সাত মাস যাবত সেই পুকুরে গলদা চিংড়ি, রুই, কাতল ও মৃগেল চাষ করছেন দুলাল।
গত শক্রবার ও শনিবার ডিএমখালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাষ্টার জসিম মাদবরের ছেলে নাসিম মাদবর তার লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক সেই মাছগুলো ধরে নিয়ে যায়। মাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুলাল বেপারী সখিপুর থানা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।
দুলাল বেপারী বলেন, ফারুক মাদরের পুকুর লিজ নিয়ে সাত মাস যাবত মাছ চাষ করছি। কিন্তু চেয়ারম্যানের ছেলে নাসিম মাদবর জোর করে আমার চাষের প্রায় এক লাখ টাকার মাছ ধরে নিয়ে গেছে। চেয়ারম্যানের কাছে বলে এর কোন বিচার পাইনি। তাই থানায় ও ইউএনও’র কাছে অভিযোগ করেছি।
নাসিম মাদবরের বাবা ও ডিএমখালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাষ্টার জসিম মাদবর বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ফারুক মাদবর আমার ছোট ভাই। ফারুকসহ সাতজনে মিলে ডিএমখালির কাশিমপুর একটি পেট্রোল পাম্প করছিলাম। সেই পেট্রোল পাম্প নিয়ে ফারুকের সাথে আমার দ্বন্দ্ব চলছে। পাম্প নিয়ে অনেক শালিশও বসেছে।
তিনি বলেন, ছোট ভাই ফারুক মাদবর যে পুকুরটি দুলাল বেপারীকে লিজ দিয়েছে, সেই পুকুরটি আমার। তাই আমার ছেলে অল্প কিছু মাছ ধরেছে।
সখিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক এনাম বলেন, মাছ ধরার ব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


error: Content is protected !!