শুক্রবার, ১২ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
শুক্রবার, ১২ই আগস্ট, ২০২২ ইং

গোসাইরহাট বসত ঘরে আগুন, ৩ দিনেও আটক হয়নি

গোসাইরহাট বসত ঘরে আগুন, ৩ দিনেও আটক হয়নি

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া মলংচড়া গ্রামে গভীর রাতে শত্রুতা বসত একটি ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্বরা। ঘটনার তিনদিন পেরিয়ে গেলেও দূর্বৃত্বদের আটক করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
সরেজিমনে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের মলংচড়া গ্রামের মৃত: আব্দুল কাদের বালির ছেলে মো: হানিফ বালি স্ত্রী, সন্তানাদি নিয়ে র্দীঘ দিন যাবত ঢাকায় থাকেন। গত বুধবার দিবাগত রাতে শত্রুতা বসত মলংচড়া গ্রামের তার চৌচালা টিনের বসত ঘড়টিতে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্বরা। আশপাশের লোকজন ঘরে আগুন দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার করলে এলাকাবাসী আগুন নিভাতে এগিয়ে আসে। ততক্ষণে ঘর ও ঘরে থাকা সকল আসবাবপত্র পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। পরের দিন খবর পেয়ে হানিফ বালি এলাকায় এসে জানতে পারে দূর্বৃত্বরা রাতের আধারে ঘরটি পুড়িয়ে দিয়েছে।
অগ্নিকান্ডের প্রত্যক্ষদর্শী মাজাহার পেদা, আজিম মৃধা, মুনসুর পেদাসহ এলাকাবাসী জানায়, রাতে হটাৎ তারা ঘরে আগুন দেখে ডাক-চিৎকার শুরু করে। এলাকাবাসী এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ততক্ষণে দু দিকে বারান্দসহ চৌচালা টিনের ঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানায়, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে মো: হানিফ বালি এলাকায় থাকেন না। তবে কারা ঘরটিতে অগ্নিসংযোগ করেছে সে বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হয়নি তারা। এ ঘটনার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেছেন এলাকাবাসী।
মো: হানিফ বালি কান্নাজড়িতে কন্ঠে বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমি কারো ক্ষতি করিনি। জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে একটি পক্ষ আমাকে নানা হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল। আমি পরিবার পরিজন নিয়ে ঢাকায় থাকার সুযোগে তারাই আমার ঘরে আগুন দিয়েছে। এছাড়া আমর কোন শত্রু নেই। এলাকার লোকজন সবাই আগুন নেভাতে চেষ্টা করেছে। থানায় অভিযোগ করেছি কিন্তু এখনো কোন মামলা রেকর্ড করা হয়নি। আমার সব পুড়ে শেষ করে দিয়েছে কিন্তু পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। যারা আগুন দিয়েছে তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চাই।
গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবিএ মেহেদী মাসুদ বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধিন রয়েছে।


error: Content is protected !!