শনিবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং, ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
শনিবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

শরীয়তপুর পদ্মা নদীর তীর রক্ষা প্রকল্পের উদ্বোধন

শরীয়তপুর পদ্মা নদীর তীর রক্ষা প্রকল্পের উদ্বোধন

নড়িয়া-জাজিরা উপজেলার পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা প্রকল্পে কাজের এলাকা পরিদর্শন করছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার। এসময় উপস্থিত কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শরীয়তপুর-২ আসনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী একেএম এনামুল হক শামীম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার, প্রমূখ। ছবি- দৈনিক রুদ্রবার্তা

শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলার পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কবির বিন আনোয়ার বলেন, বেড়ি বাঁধ রক্ষা করা প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ছিল। আজ সে স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। নড়িয়ার চরাত্রা ও নওপাড়া ইউনিয়নে ভাঙন কল্পে আলাদা দুটি প্রজেক্ট নিয়েছে সরকার। দুইটি প্রকল্পের কাজ আগামী বর্ষার আগে শুরু করা হবে। নড়িয়া-জাজিরা উপজেলার ভাঙন চিরতরে রোধ করতে পারব ইনশাআল্লাহ্।
রোববার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ও বেঙ্গল স্ট্রাকচার ডেভলপমেন্ট লি: ফিউচার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভলপমেন্ট লি: (জেভি) বাস্তবায়নে এ পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান। এ সময় কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শরীয়তপুর-২ আসনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী একেএম এনামুল হক শামীম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মামুন উল হাসান, নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা ইয়াসমিন প্রমূখ।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকাশ কৃষ্ণ সরকার বলেন, এক হাজার ৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নড়িয়া-জাজিরা উপজেলার পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা প্রকল্পের ৮ দশমিক ৯ কিলোমিটার কাজ শুরু করা হয়েছে। আপতত বেশি ভাঙছে এমন স্থান চিহ্নিত করে সুরেশ্বর এলাকা থেকে কৃত্তিনাশা নদীর মুখ পর্যন্ত ৪ কিলোমিটারের কাজ করা হবে। ১৮ লাখ জিও বালুর ব্যাগ ফেলে ও ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে এ কাজ করা হচ্ছে।
ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ কেদারপুর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান ইমাম হোসেন দেওয়ান, কেদারপুর ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাফেজ সানাউল্লাহ্, বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। নদী ভাঙনে অবহেলিত জনগনের স্বপ্ন পূরণ করছেন বেড়ি বাঁধ দিয়ে। আমরা আজ আনন্দিত। আমাদের ৩০ বছরের ইচ্ছা পূরণ হতে যাচ্ছে।
তারা বলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম ও জেলার সাংবাদিকদের কারনেই সারা বিশ্ব ও প্রধানমন্ত্রী জেনেছেন জাজিরা-নড়িয়ার ভাঙনের কথা। তাই ভাঙন কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রীসহ সকলেই। তারা আরও বলেন, ভাঙনে ৫ হাজার ৮১ পরিবারের বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছে।


error: Content is protected !!