মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

জাজিরার ৪টি ইট ভাটায় ভোক্তা অধিকারের অভিযান ও জরিমানা

জাজিরার ৪টি ইট ভাটায় ভোক্তা অধিকারের অভিযান ও জরিমানা

মঙ্গলবার শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ৪টি ইট ভাটায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অভিযান পরিচালনা করে। ইট তৈরী ও পরিমাপে কারচুপির অপরাধে প্রতিটি ইট ভাটায় জরিমানা আরোপ ও জরিমানার টাকা আদায় করা হয়।
অভিযানকালে ইট তৈরীতে ব্যাপক অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় উপজেলার কাজীর হাট এলাকার জে আই বি ব্রিকসকে ৩০ হাজার টাকা, লাউখোলা এলাকার মেসার্স যমুনা ব্রিকসকে ১৮ হাজার টাকা, মেসার্স এন এন আর ব্রিকসকে ১০ হাজার টাকা ও মেসার্স ভি বি এম ব্রিকসকে ২০ হাজার টাকা সহ মোট ৭৮ হাজার টাকা জমিরানা আরোপ করা হয়। একই সাথে জরিমানার টাকা আদয় করা হয়েছে। এছাড়া জরিমানার আওতায় আনা প্রতিষ্ঠান সমুহকে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর আলোকে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেয়া হয়। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
ইটের আদর্শ পরিমাপ হচ্ছে, দৈর্ঘ্য = ২৪ সে.মি.। প্রস্থ = ১১.৫ সে.মি.। উচ্চতা = ৭ সে.মি.। এছাড়া ইটের উপরে প্রদত্ত প্যানেল বা নেমপ্লেট বা ফ্রগের পরিমপের দৈর্ঘ্য = ১৩ সে.মি.। প্রস্থ = ৫ সে.মি.। গভীরতা = ১ সে.মি.। সেক্ষেত্রে মূল ইটের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা ক্ষেত্র বিশেষে ০.৫ থেকে ১ সেমি. কম। এছাড়া নেমপ্লেটের দৈর্ঘ্য ১৬-১৯ সেমি. রয়েছে। এ অনিয়মের কারনে গ্রাহক পর্যায়ে বালু ও সিমেন্টের এর খরচ বেড়ে যায়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সুজন কাজী বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারী জাজিরা উপজেলার কাজীর হাট ও লাউখোলা এলাকায় কয়েকটি ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। ইটের নেমপ্লেট ও পরিমাপে কারচুপির অপরাধে ৪টি ইট ভাটায় জরিমানা আরোপ করা হয়। জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের স্যারের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সহযোগিতা করেছে ক্যাব- শরীয়তপুর এর সভাপতি বিল্লাল হোসেন খান ও জেলা পুলিশের একটি টিম। ইট ভাটা মালিকদের ফর্মা পরিবর্তণ করার জন্য বলা হয়েছে। ১ সপ্তাহের মধ্যে সঠিক পরিমাপের ফর্মা ইট ভাটায় সংযোজন না হলে আবারও অভিযান পরিচালনা করে ইট ভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।


error: Content is protected !!