শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২০ ইং, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২০ ইং

ঘর তোলাকে কেন্দ্র করে নড়িয়ায় প্রতিপক্ষের হামলা

ঘর তোলাকে কেন্দ্র করে নড়িয়ায় প্রতিপক্ষের হামলা

শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ফতেজঙ্গপুর ইউনিয়নে যোগপাট্টা গ্রামে ঘর তোলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ হামলা করে এতে ২ জন গুরুতর আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে নড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে নড়িয়া উপজেলার ফতেজঙ্গপুর ইউনিয়নের যোগপাট্টা গ্রামে আল আমিন কাজী তার জায়গায় ঘর তুলতে গেলে আবু কালাম খানের নেতৃত্বে তার ছেলে আকাশ খান, স্ত্রী নাজমা বেগম, মেয়ে সোনিয়া, টুম্পা সহ বহিরাগত ২০/৩০ জন লোক রাম দা, লাঠি, হকস্টীক, লোহার রড ও দেশীয় অস্র নিয়ে হামলা করে এবং ঘর ভাংচুর করে এবং আল আমিন(৩৫), আতাউর রহমান খান (৫৫) কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আহতদের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মালেক খান বাদী হয়ে আবু কালাম খান, আকাশ খান, নাজমা বেগম, সোনিয়া, টুম্পা সহ ২০/২৫ বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

আহত আল আমিন বলেন, আমি আমার জায়গায় ঘর তুলতে গেলে আবু কালাম খান ও তার স্ত্রী মেয়ে বাধা দেয়। পরে কালাম খানের ছেলে আকাশ খান বাহিরাগত লোকজন এনে রাম দা, লোহার রড ও দেশীয় অস্রসহ আমার উপর হামলা করে। এতে আমি সহ আমার নানা আতাউর রহমান খান আহত হই। এলাকার লোকজন আমাদের হাসপাতালে এনে ভর্তি করে।

প্রত্যক্ষদর্শী জানে আলম খান বলেন, আল আমিন তার জায়গায় ঘর তুলতে ছিল তখন আবু কালাম খান আল আমিনকে কাজ করতে বাধা দেয়। পরে আবু কালাম খার ছেলে বহিরাগত লোকজন এনে আল আমিনের উপর হামলা করে এতে আল আমিন সহ আতাউর রহমান খান গুরুতর আহত হয়। পরে আমরা আল আমিন ও আতাউর রহমান খানকে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।

চাকধ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম খান বলেন, আল আমিন তার যায়গায় ঘর তুলছে। এমন সময় আবু কালাম খান তার লোকজন নিয়ে বাধা দেয়। এক পর্যায় আবু কালাম খানের ছেলে শরীয়তপুর থেকে বহিরাগত লোকজন এনে হামলা করে ঘরের জিনিস পত্র ভাংচুর করে এবং আল আমিনের উপর হামলা করে এতে আতাউর রহমান ও মালেক খান আহত হয়। তাদের আমরা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।

আবু কালাম খানের সাথে মুটোফোন কথা হলে তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি এখন অসুস্থ পরে কথা বলবো।

এ ব্যাপারে নড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন দুই পক্ষই দুটি অভিযোগ করেছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।