বৃহস্পতিবার, ৬ই মে, ২০২১ ইং, ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে রমজান, ১৪৪২ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ৬ই মে, ২০২১ ইং

নড়িয়ার চান্দনী প্রবাসী সংগঠনের কিশোর পুরস্কার

নড়িয়ার চান্দনী প্রবাসী সংগঠনের কিশোর পুরস্কার

টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করে পুরস্কার পেয়েছে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের ১০টি মসজিদের ৪৪ কিশোর। পুরস্কারপ্রাপ্ত কিশোরদের বয়স ১৬ বছরের কম। পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে সাইকেল, প্রেসার কুকার, ডিনারসেটসহ নগদ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়।

করোনার স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) থেকে প্রত্যেক নামাজের পর মসজিদে মসজিদে ওই ৪৪ কিশোরের হাতে পুরস্কার তুলে দেয় চান্দনী প্রবাসী জনকল্যাণ ঐক্য পরিষদ। এ সময় চান্দনী প্রবাসী জনকল্যাণ ঐক্য পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সালাম ছৈয়াল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: জলিল ফকির ও ভোজেশ্বর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার সোহরাব হোসেন ছৈয়ালসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

হাফেজ মজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, তাজিম দেওয়ান, শামীম ইসলাম ও আরিফ হোসেন।

কিশোরদেরকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করে মসজিদমুখি করার লক্ষ্যে আয়োজিত এমন উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

পুরস্কারের ঘোষক চান্দনী প্রবাসী জনকল্যাণ ঐক্য পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সালাম ছৈয়াল বলেন, ঘোষণার পর থেকে প্রায় দুই শতাধিক কিশোর মসজিদে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা শুরু করে। তারা ঠিকমতো নামাজ আদায় করছে কিনা তা হিসাব রাখার জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর হাজিরা নেওয়া হতো। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত এ প্রতিযোগিতা চলে। এভাবে নিয়মিত যাচাই-বাছাই ও হাজিরার ভিত্তিতে সর্বশেষ ৪৪ জন বিজয়ী হয়।

প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে তাদের শুধু নামাজই পড়ানো হয়নি বরং সঠিকভাবে নামাজ শিক্ষা ও নামাজ সম্পর্কে জরুরি মাসয়ালাও শেখানো হয়, সেই সঙ্গে তালিম-তরবিয়ত এবং নামাজের প্রতি মানুষকে আহবানের পাশাপাশি দ্বীনি ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় ইমামগণ এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, খতিব সাহেব হুজুরের এ কার্যক্রম বাচ্চাদের নামাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলেছে। আমরা বিষয়টি প্রায় কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি যে, ছেলেরা নামাজে নিয়মিত আসছে। তাদের পদচারণায় মসজিদ সব সময় মুখরিত থাকতো।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা তাদের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, আমরা এ পুরস্কার পেয়ে অত্যন্ত খুশি।