শনিবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং, ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
শনিবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

দীর্ঘ ৭ বছরের বালুদস্যু মাহাবুব বালীর খুঁটির জোর কোথায়!

দীর্ঘ ৭ বছরের বালুদস্যু মাহাবুব বালীর খুঁটির জোর কোথায়!

জেলার নড়িয়া উপজেলার ঘড়িসার ইউনিয়ন ও ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের করন হোগলা, থিরপারা গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মা শাখা নদীর বুকে চালাচ্ছে ড্রেজারের ছোবল। এ যেনো দেখার কেউ নেই। সরেজমিনে বুধবার গিয়ে দেখা যায় এমন ঘটনা শোনা যায় ভাঙ্গণ কবলিতো মানুষের আর্তনাদ।
দীর্ঘ ৭ বছর ধরে একই স্থান থেকে বালু উত্তলন করে মোটা অংকের বিনিময় এলাকার বিভিন্ন গভীর জায়গা ভরাট করছেন। এমন অপকর্মটি চালিয়ে যাচ্ছেন দিনের পর দিন প্রভাবশালী মাহাবুব বালী, যা ভাবিয়ে তুলছেন এলাকার জমি হারানো ভয়ভিতো মানুষদের।
স্থানিয় মানুষদের সাথে আলাপকালে এই প্রতিনিধিকে বলেন আমরা দিনের পর দিন এমন ঘটনা নীরবে মুখ বুজে আসছিলাম কিন্তু তিনি কিছুতেই থামছে না তার বেপারে কেউ কথা বলতে চাইলে তিনি মারধর করে এমনকি হুমকি প্রর্দশন করেন।
এছাড়া মাহাবুব বালী কয়েক দিন আগে ঐ এলাকার গরীব মুদি দোকান ব্যবসায়ী নূর মহম্মাদ এর দোকানে হামলা চালিয়ে অগ্নি সংযোগ ঘটায়, এই ব্যপারে নড়িয়া থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভুগী নূর মহম্মাদ।
কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না মেনেই মাহাুব বালীর দেখা দেখি আরো একাধীক বালু দস্যু ঘড়িসার ও কার্তিকপুর নদীতে অবৈধ্য ড্রেজার লাগিয়ে শান্ত মেম্বার, মানিক হাওলাদার, নিজাম মোল্লা, আনছার মাঝী, দেলয়ার বেপারী, ফয়জল হকসহ এভাবেই চালাচ্ছেন আরো একাধীক অবৈধ ড্রেজার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, মাহাবুব বালী আগে ড্রেজারের কর্মচারি ছিলেন। এখন দুইটা ড্রেজারের মালিক এবং তিনি নদী থেকে বালু উত্তলন করে পাশবর্তী অন্যের জায়গায় জোর করে বালু তুলে বছরের পর বছর বিক্রি করে এখন তিনি লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক বটে, এমনকি তার ছেলে কে বিদেশ পাঠিয়েছে এই বালু বিক্রি করে।
তার ব্যাপারে কয়য়েকদিন আগে জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হলে তিনি নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মুঠফোনে মাহাবুব বালীকে আটক করার নির্দেশ দেন এবং নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
কিন্তু লাভ কি তিনি সরকারের রাজস্ব না দেওয়ার কারনে দিনের পর দিন চালিয়ে যাচ্ছেন অবৈধ রমরমাট ড্রেজার ব্যবসা।
এ বেপারে এলাকার ক্ষিপ্ত লোকজন বলেন, মাহাবুব বালীসহ অন্যান্যদের মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ড্রেজার ধ্বংস করে জেলজরিমানা করলে হয়তো আমরা রক্ষা পাবো।


error: Content is protected !!