Thursday 25th July 2024
Thursday 25th July 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুর চাঞ্চল্যকর আকলিমা হত্যার সাত দিনের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করে রহস্য উদঘাটন

শরীয়তপুর চাঞ্চল্যকর আকলিমা হত্যার সাত দিনের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করে রহস্য উদঘাটন

শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলায় চাঞ্চল্যকর আকলিমা হত্যার সাত দিনের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করে রহস্য উদঘাটন করেছেন শরীয়তপুর জেলা পুলিশ।
এনিয়ে ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার মাহবুবুল আলম (পিপিএম) ।
হত্যাকান্ডের শিকার আকলিমা উপজেলার পশ্চিম লোনসিং গ্রামের অটোচালক কালু মালের স্ত্রী এবং হত্যাকারী পারভেজ ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানাধীন মোঃ আলী হোসেনের ছেলে। হত্যাকারী পারভেজ আকলিমার দুঃসম্পর্কের আত্মীয় হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এসময় সাংবাদিকদের কাছে পুলিশ সুপার জানান, গত ১৬ জুন ২০২৪ তারিখে নড়িয়া থানার পশ্চিম লোনসিং গ্রামের মোসা:আকলিমা বেগম নামে মধ্য বয়সী এক মহিলা নৃশংস ভাবে হত্যা কান্ডের শিকার হন। কুরবানির আগের দিন এরকম একটা ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা জেলা পুলিশের একটি টিম, ডিবির একটি টিম ও নড়িয়া থানার একটি টিম আমরা ক্রাইম সিন কভার করি। ক্রাইম সিনটা আমরা কনসালট্ করার পর আমরা যে জিনিসটা জানতে পারলাম। এটা একটা ক্লুলেস মার্ডার ছিল। মার্ডারের ধরণ এবং আশে পাশে যে সাক্ষ্য ছিল। বিশেষ করে যিনি হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন তার স্বামী এবং তার মেয়ের সঙ্গে কথা-বার্তা বলে, আমরা একজনকে সাসপেকট্ পাই। এবং তার পেছনে আমাদের টিম গুলো কাজ করে। পরবর্তীতে তাঁকে জিজ্ঞেসাবাদের একটা সময়ে সে সব কিছু আমাদের কাছে শিকার করে। এবং হত্যাকান্ড সংক্রান্ত যে অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল সেটা আমরা উদ্ধার করেছি পরবর্তীতে। এবং হত্যার পরে রক্তমাখা গেঞ্জি আমরা তার ঢাকার বাড়ি যাত্রাবাড়ী থেকে তা উদ্ধার করেছি। এবং মহিলার যে কানের দুল, নাক ও গলার স্বর্ণালঙ্কার তিনি যে দোকানে বিক্রি করতে গিয়েছিলেন, সেই দোকানদারের কাছে আমরা গিয়েছি। তিনি আমাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, আমার কাছে অলংকার গুলো বিক্রি করতে এসেছিল। কাগজপত্র না থাকায় আমি ওগুলো কিনি নেই। পরবর্তীতে প্রত্যেকটি ঘটনা এবং তাঁর যে বক্তব্য এগুলো আমরা পরম্পরা মিলিয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে,হত্যাকান্ডটি সেই করেছে। এর আগে এই হত্যাকারি আরও একটি মহিলাকে একইভাবে ২০১৬ সালে হত্যা করেছে এবং আমাদের সার্বিক বিবেচনায় যেটা মনে হয়েছে। সে একজন সিরিয়াল কিলার। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে চুরির এবং মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। হত্যাকারীর নাম পারভেজ তিনি গতকাল আদালতে শিকারউক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), তানভীর হায়দার শাওন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আদিবুল ইসলাম (পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আহসান হাবীব প্রমুখ।