Friday 1st March 2024
Friday 1st March 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

নড়িয়ায় পদ্মা ভাঙণের ঝুঁকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

নড়িয়ায় পদ্মা ভাঙণের ঝুঁকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
নড়িয়ায় পদ্মা ভাঙণের ঝুঁকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার পদ্মা নদীর ভাঙনের ঝুকিতে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মূলফৎগঞ্জ বাজারটি। তাই সরিয়ে নেয়া হচ্ছে সবধরণের মালামাল। যেকোন সময় পদ্মা নদীর থাবায় পরতে পারে বাজার ও হাসপাতালটি।
এছাড়াও মুলফৎগঞ্জ বাজার সংলগ্ন হযরত খাজা মঈনউদ্দিন চিশতী (গাজী কালুর মেহমান খানা) নামে চারতলা বিশিষ্ট বিলাসবহুল কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে বাড়িটি পদ্মা নদীর গর্ভে চলে গেছে। বিলাসবহুল বাড়িটিসহ একই সময় খান বাড়ি জামে মসজিদ ও মোহাম্মদ দিলু খার দোতলা পাকা বাড়িটি ও নদী গর্ভে চলে গেছে। শনিবার (১৮ আগস্ট) রাত সোয়া নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
শুধু তাই নয় শনিবার দুপুরে নড়িয়া-মূলফৎগঞ্জ একমাত্র সড়কের নড়িয়া বাঁশতলা থেকে শুরু করে পূর্বনড়িয়া মূলফৎগঞ্জ বাজার পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার পদ্মা নদীর গর্ভে চলে যায়।
গোলাম ফারুক জানান, শনিবার দুপুরে ওই বাড়িটির ছবি মোবাইলে তুলেছিলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয় রাতে শুনতে পাই বিলাসবহুল বাড়িটি পদ্মা নদীর গর্ভে চলে গেছে। এমনভাবে নদী গর্ভে চলে যেতে থাকলে বেশিদিন লাগবে না শরীয়তপুরের মানচিত্র থেকে নড়িয়া হারিয়ে যেতে।
নড়িয়া উপজেলার সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, ঘরবাড়ি, দোকানঘর, গাছপালা, ফসলি জমি পদ্মা নদীর ভাঙনে তলিয়ে যাচ্ছে। দেখার কেহ নেই। তাই খুব দ্রুত নড়িয়া উপজেলার অংশ পদ্মা নদীর ডানতীর বাঁধের পদক্ষেপ নেয়া উচিত বাংলাদেশ সরকারের।
শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানান,
ভাঙণ শুরুর বিষয়টি ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পদ্মার ভাঙন প্রতিরোধে খুব শিঘ্রই বেড়ি বাঁধের কাজ শুরু করা হবে।
শরীয়তপুরের নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলায় পদ্মায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। দিন যত পার হচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ভাঙন ততই তীব্র আকার ধারণ করছে। ভাঙনে দিশেহারা মানুষগুলো নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। তাই ভাঙন প্রতিরোধে সরকারের কাছে দ্রুত বেড়িবাঁধের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা ইয়াসমিন বলেন, বিলাসবহুল বাড়িটি পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে শুনে সকালে সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিক অথবা অক্টোবরের প্রথম দিকে পদ্মা নদীর ডানতীর ভাঙন কবলিত এলাকা নড়িয়া-জাজিরা উপজেলার ৯কিলোমিটারের বেড়িবাঁধের কাজ শুরু করবে সরকার।