শুক্রবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২২ ইং, ২২শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
শুক্রবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২২ ইং

খুলনায় ডিজিটাল আইন মামলার প্রেস কাউন্সিলের তদন্ত চায় বিএমএসএফ

খুলনায় ডিজিটাল আইন মামলার প্রেস কাউন্সিলের তদন্ত চায় বিএমএসএফ

খুলনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুই সাংবাদিকের নামে দায়েরকৃত মামলায় উচ্চ পর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত চায় বিএমএসএফ। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম’র পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে গ্রেফতারকৃত সাংবাদিক হেদায়েত হোসেনকে রিমান্ডে আনারও তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর বলেন, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রচারিত তথ্যই প্রকাশ করেছেন ওই দুই সাংবাদিক। নিজেদের ভুল ধামাচাপা দিতে ‘উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে’ চাপানোর জন্য দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে হয়রাণী-নির্যাতন করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত: গত ৩০ ডিসেম্বর খুলনা-১ আসনের (বটিয়াঘাটা-দাকোপ) নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণাকালে ‘মোট ভোটারের চেয়ে ফলাফলে বেশি ভোট’ প্রচারের কথা রিটানিং অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন উপস্থিত প্রায় অর্ধশতাধিক সাংবাদিকরা। কিছুক্ষন পরে ওই রিটানিং কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরী বক্তব্যের ছলে সংশোধন করলে ততক্ষনে সংবাদটি ঢাকা ট্টিবিউন ও মানবজমিন পত্রিকায় চলে যায় এবং সংবাদটি প্রকাশ করা হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর ওই রিটার্নিং কর্মকর্তা দুই সাংবাদিকের নামে থানায় মামলা দায়ের করেন।
এখন প্রশ্ন এর দায়ভার কে নেবে! রিটানিং অফিসারের চাকরী বাঁচাতে তিনি নিরীহ দুই সাংবাদিকের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করে গ্রেফতার করিয়ে রিমান্ড নিয়েছে তদন্তকারী অফিসার পুলিশ। এই ঘটনার জট ছাড়াতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম উচ্চ পর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছে। সংগঠনটি আশংকা করছে প্রশাসন তার দোষ ধামাচাপা দিতেই এই মামলা এবং সাংবাদিক হেদায়েত হোসেনকে গ্রেফতার এবং রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। তাই মামলাটি প্রেস কাউন্সিলকে দিয়ে তদন্ত করা হলে প্রকৃত দোষি কে বেরিয়ে আসবে।


error: Content is protected !!