শুক্রবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২২ ইং, ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২১শে মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
শুক্রবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২২ ইং

কালকিনিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

কালকিনিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

প্রশাসনের নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পালরদী নদীর পৌর এলাকার প্রাণকেন্দ্র পুরান বাজারের কাছ থেকে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন যাবত বালু উত্তোলন করে আসছেন মোঃ জুলহাস হাওলাদার নামের এক প্রভাবশালী ব্যাক্তি। এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে ঝুঁকির মুখে পড়েছে ওই এলাকার শত শত বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাজার ঘাট। এতে করে এলাকাবাসীর ক্ষতির আশঙ্কায় এক ধরনের ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল অসাধুভাবে বালু উত্তোলনের ব্যবসা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এদিকে বালু ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা এলাকার সাধারন জনগণ।
জানা গেছে, পালরদী নদীর পৌর এলাকার প্রাণকেন্দ্র পুরান বাজার ঘাট নামকস্থান থেকে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন কওে আসছেন স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল। এলাকাবাসী জানায়, বালু ব্যবসায়ীরা গায়ের জোরে প্রতিদিন প্রভাব কাটিয়ে ড্রেজার মেশিন দিয়ে দেদারছে বালু উত্তোলন করছে। আর এসব বালু বিক্রি করে তারা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীর এলাকার পাঙ্গাসিয়া ও চরপাঙ্গাসিয়া গ্রামের শতাধীক মানুষ তাদের বসতবাড়ি, কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাজারঘাট নিয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। এবং সেখানে নদীর পাড় এলাকার ফলে ইতোমধ্যে রান্তার পশ্চিম পাশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বালু উত্তোলনের ফলে তাদের যে কতটা ক্ষতি হচ্ছে বালু ব্যবসায়ীরা সেটা বুঝতে চেষ্টা করছে না। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারছিনা।
পৌর সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ দুলাল হোসেন বলেন, আমি দুইদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু উত্তোলনে বাঁধা প্রদান করেছি।
বালু উত্তোলনকারী জুলহাস হাওলাদার বলেন, আমি উপরের অনুমতি নিয়ে বালু উত্তোলন করছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।


error: Content is protected !!