প্রত্যক্ষদর্শী আকবর বলেন গত ৫ জুলাই শনিবার সন্ধা আনুমানিক ৬টায় শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট থানার কোদালপুর ইউনিয়নের মন্তা দেওয়ানপাড়া গ্রামে ইমান হোসেন সরদার বাড়িতে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশু সহ চারজনকে আহত করে একই গ্রামের পাশের বাড়ির রাজিব ও সুমন নামে দুই যুবক। সুমন মোস্তফা খানের ছেলে ও রাজিব হানিফ খান এর ছেেলে।

বাড়ির উপর দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় শিশু ছেলে রুহুল আমিন সরদার(৫ বছর)কে, পেঁপে পাড়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দেয় রাজিব,এর ফলশ্রুতিতে রুহুল আমিন এর দাদা ইমান হোসেন সরদার প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত রাজিব খান ও সুমন খান, আল আমিন সরদার এর পেটে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে, একই সাথে আলামিন সরদারের অন্তসত্ত্বা স্ত্রী খাদিজা বেগম এবং মা মাকসুদা আক্তার এগিয়ে আসলে তাদেরকেও গুরুতর আঘাত করে ।ঘটনার পরবর্তীতে বাড়ির আশপাশের লোকজন তাদেরকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে গোসাইরহাট থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য গুরুতর আহত ০৪(চার) জনকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ জুলাই ২৫ ইং তারিখে ইমাম হোসেন সরদারের মৃত্যু হয়। বাকি আলামিন সরদার ও তার স্ত্রী মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বলে জানিয়েছে স্বজনেরা। এইদিকে তার মৃত্যুর খবরে তার দুই মেয়ে,তার স্ত্রী মাকসুদা বেগম ও ভাতিজা স্বপন সরদার সহ অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।এক পর্যায়ে তার বড় মেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায় ঠান্ডার বাজার এলাকায় সবার মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে ।এ বিষয়ে তার পরিবার থেকে তার মেয়ে ও স্ত্রী সুষ্ঠ বিচার ও আসামিদের ফাঁসি দাবি করে।

এ নিয়ে গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাকসুদুল আলম কে জানতে চাইলে তিনি জানান এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে আমরা দুইদিন যাবৎ ঈমান সরদারের বাড়িতে পুলিশ মোতায়ন রাখছি।আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে অভিযোগের ভিত্তিতে তাদেরকে কঠোর বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়া করানো হবে।

পরে ঢাকা মেডিকেল থেকে ইমাম হোসেন সরদার কে ৯ জুলাই গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাকসুদুল আলমের উপস্থিতিতে সন্ধ্যায় তার নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়।