নিরাপদ খাদ্য আজ শুধু একটি প্রশাসনিক বিষয় নয়, বরং মানুষের জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক গুরুতর স্বাস্থ্যসুরক্ষার শর্ত। শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জনসচেতনতামূলক কর্মশালাটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ তাহসিনা বেগমের গতিশীল নেতৃত্ব। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন। তার কর্মদক্ষতা, স্বচ্ছতা ও উন্নয়নমুখী চিন্তাভাবনা জেলার মানুষের কাছে ইতোমধ্যেই আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। নিরাপদ খাদ্য বিষয়েও তার আন্তরিকতা ও সক্রিয় ভূমিকাই এই কর্মশালাকে সফলতার দিকে নিয়ে গেছে।
তেমনি আরেকজন প্রশংসার দাবিদার ব্যক্তি হলেন শরীয়তপুর জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুব্রত ভট্টাচার্য্য। সীমিত জনবল ও নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য রেস্তোরাঁ মালিক থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবসায়ী এবং ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে তার ভূমিকা অনন্য। তার দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতা জেলার মানুষের কাছে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করেছে।
আমরা বিশ্বাস করি, জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম ও জেলা খাদ্য অফিসার সুব্রত ভট্টাচার্যের মতো দক্ষ নেতৃত্ব থাকলে শরীয়তপুর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে একটি আদর্শ জেলা হিসেবে দেশব্যাপী দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
— শহীদুল ইসলাম পাইলট

মন্তব্য করুন