মঙ্গলবার রাতে বিসিবির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও তার ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচন ফিক্সিংয়ের চেষ্টা’ করার অভিযোগ তুলেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তামিমপন্থী সংগঠকরা সভাপতি ও সেক্রেটারিকে ফোন করে কাউন্সিলর মনোনয়নের চাপ দিয়েছেন এবং জেলা প্রশাসকদের হুমকি দিয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত তারা সফল হননি।
আসিফ মাহমুদ আরও দাবি করেন, “কেউ একজন ফোন করে বিরাট কোহলিকে বিসিবি নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন, যা কোহলি গৌতম গম্ভীরসহ অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। দেশের স্বার্থে এমন অভিযোগ আন্তর্জাতিকভাবে ছড়ানো অত্যন্ত লজ্জাজনক।”
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনেকে মন্তব্য করেছেন, আসিফ মাহমুদ সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের পথ অনুসরণ করছেন। জবাবে তিনি বলেন, “পাপন ভাইয়ের সময় কাউন্সিলর হতেন আওয়ামী লীগের নেতারা বা তাদের সন্তানরা, যাদের ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না। আমরা ক্রীড়া সংগঠকদেরকেই সামনে আনছি।”
রাজ্জাক রাজের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ বলেন, “রাজ্জাক রাজ ভাই আমার ব্যক্তিগত কেউ নন। শেষবার তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল এক বছর আগে, বোর্ডে কাজ করার সময়।”
বিসিবি নির্বাচনকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব ও বিভাজনের অভিযোগও উঠছে। তামিম ইকবালসহ বিএনপিপন্থী সংগঠকরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন এবং সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন।
নির্বাচনের আগে এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল বাড়িয়েছে। ৬ অক্টোবরের ভোটকে ঘিরে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন সময়ই বলে দেবে।

মন্তব্য করুন