শরীয়তপুর জেলার প্রশাসনিক কাঠামোতে সাম্প্রতিক সময়ে যে গতিশীলতা ও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তার মূল কেন্দ্রে রয়েছেন বর্তমান জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি শুধু প্রশাসনিক কর্তৃত্ব নয়, মানবিকতা, সততা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে নিজেকে আলাদা করেছেন। তার নেতৃত্বে শরীয়তপুর জেলা এখন উন্নয়ন, শৃঙ্খলা ও জনসেবার ক্ষেত্রে একটি মডেল হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে।
মিজ তাহসিনা বেগমের প্রশাসনিক কার্যক্রমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো— মানুষের কাছে যাওয়া, শুনে কাজ করা এবং বাস্তবায়নে দৃঢ়তা। তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন। প্রশাসনিক কাজকে শুধু ফাইল ও কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠে বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী উন্নয়ন, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সাম্প্রতিক সময়ে শরীয়তপুরে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের প্রস্তুতি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে তার নেতৃত্ব প্রশাসনের সক্ষমতা ও জনসম্পৃক্ততার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগমের নেতৃত্বে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প সময়মতো বাস্তবায়িত হচ্ছে। জেলা শহরের অবকাঠামো উন্নয়ন, নদীভাঙন প্রতিরোধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার, কৃষি উন্নয়নসহ নানা খাতে দৃশ্যমান সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
বিশেষ করে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রমে তার দ্রুত পদক্ষেপ ও স্বচ্ছতা সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। দুর্যোগকালে ত্রাণ বিতরণে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন— যা প্রশাসনের প্রতি জনগণের বিশ্বাস আরও গভীর করেছে।
শুধু উন্নয়ন নয়, মানবিক দিকেও তিনি অনুকরণীয় এক প্রশাসক। সাধারণ মানুষের অভিযোগ বা আবেদন তিনি সরাসরি শোনেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশ দেন। সরকারি সেবা যেন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়— সে বিষয়ে তিনি সর্বদা সচেষ্ট।
তার নেতৃত্বে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন এখন “মানুষের প্রশাসন” হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।
এছাড়া জেলা প্রশাসক তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। স্কুল-কলেজে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সভা, বৃক্ষরোপণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, নারী ও শিশু সুরক্ষা কর্মসূচি—সবখানেই তার সক্রিয় ভূমিকা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে প্রাণবন্ত করেছে।
একজন সফল জেলা প্রশাসকের মূল শক্তি হলো নেতৃত্ব ও জনসম্পৃক্ততা। মিজ তাহসিনা বেগম সেই দুই গুণের সমন্বয়ে শরীয়তপুরকে এগিয়ে নিচ্ছেন। তার সৎ, নিষ্ঠাবান ও দূরদর্শী নেতৃত্ব ভবিষ্যতের প্রশাসকদের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।
তিনি প্রমাণ করেছেন— একজন জেলা প্রশাসক কেবল সরকারি দায়িত্ব পালনকারী নন, বরং জনগণের সেবক, উন্নয়নের নায়ক এবং মানবিক নেতৃত্বের প্রতীকও হতে পারেন।
আজ শরীয়তপুরবাসী গর্ব করে বলতে পারে— তাদের জেলা প্রশাসক একজন “জনবান্ধব প্রশাসক”, যিনি উন্নয়ন ও সেবাকে একই মঞ্চে এনেছেন।
তার নেতৃত্বে শরীয়তপুর এগিয়ে যাবে— এ বিশ্বাস রাখে জেলার মানুষ।

মন্তব্য করুন