ঢাকার সাভারে স্ত্রীর দেওয়া কিডনিতে নতুন জীবন পেয়েও পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন এক স্বামী। এমনকি সেই স্ত্রীকে নির্যাতন করে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন তিনি। ৩৫ বছর বয়সী উম্মে সাহেদীনা টুনি নিজের কিডনি দিয়ে স্বামী মো. তারেকের জীবন রক্ষা করেন। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে তিনি বিউটি পার্লার ও বুটিক ব্যবসা চালিয়ে অর্থ জোগান। ২০১৯ সালে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে সফল কিডনি প্রতিস্থাপনের পর থেকেই তার স্বামীর আচরণে পরিবর্তন আসে।

পরবর্তীতে তারেক এক ডিভোর্সি নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। টুনিকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে ঘর থেকে বের করে দেন। এরপর টুনি সাভার মডেল থানায় অভিযোগ করেন এবং পরে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে আদালতে মামলা করেন। বর্তমানে তারেক জামিনে রয়েছেন, তবে মামলার পর তিনি পলাতক।

টুনির আইনজীবী জানান, এটি শুধু নারী নির্যাতনেরই নয়, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনেরও লঙ্ঘন। চার্জশিট হাতে পেলেই জামিন বাতিলের আবেদন জানানো হবে।

এ ঘটনায় টুনির পরিবার দোষী স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে, যাতে আর কোনো নারীর জীবন এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

Facebook Comments Box