বরগুনার আমতলী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি ও ওষুধ ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুস সোবহান খলিফার ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও ছিনতাইয়ের বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার বেলা ১১টায় উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী সোবহান খলিফা।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে দোকান বন্ধ করে পৌরসভার ওয়াপদা এলাকার বাসায় ফেরার পথে ফায়ার সার্ভিস এলাকায় পৌঁছালে ঘাতকরা তার ওপর হামলা চালায়। পশ্চিম ঘটখালী গ্রামের হাবিব খাঁনের নেতৃত্বে ৬–৭ জন সন্ত্রাসী ওঁৎ পেতে তাকে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। তার হাঁক-ডাক শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় সোবহান খলিফা বাদী হয়ে প্রধান আসামি হাবিব খাঁনসহ সাতজনকে আসামি করে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করেন।
তবে হাবিব খাঁন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা মারধর বা টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুস সোবহান খলিফা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম (ভিপি) মামুন, উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম, পৌর ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন মৃধা, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিল্টন বিশ্বাস, মো. রহুল আমিন টিপু, ওষুধ ব্যবসায়ী মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ ঘটনায় বরগুনা জেলা ওলামা দলের সংগ্রামী সদস্য সচিব ও বিশিষ্ট সাংবাদিক তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




মন্তব্য করুন