আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কালো টাকার প্রভাব রোধ এবং প্রার্থীদের হলফনামায় দেওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে মাঠে নামছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে সংস্থাটি। প্রতিটি দলে দুদকের একজন উপপরিচালকের নেতৃত্বে মোট ৬ জন সদস্য রয়েছেন। ১৫টি দলে সর্বমোট ৯০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী এই টাস্কফোর্সের আওতায় কাজ করবেন।
দুদকের অফিস আদেশ অনুযায়ী, এই টাস্কফোর্সগুলো চলমান অনুসন্ধান ও তদন্ত কাজে গতিশীলতা আনার পাশাপাশি নির্বাচনী হলফনামায় কোনো প্রার্থীর সম্পদের মিথ্যা তথ্য থাকলে তা চিহ্নিত করবে। দুদকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, দুর্নীতিবাজরা যাতে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য। সংস্থাটি মনে করে, ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের পরিবর্তে দলগতভাবে (Team-based) কাজ করলে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির সুযোগ কমবে।
বিশেষ করে সংসদ সদস্য প্রার্থীদের সম্পদের বিবরণীতে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে বা গণমাধ্যমে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এলে তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে। চেয়ারম্যান আরও বলেন, “আমরা চাই না কোনো অপ্রদর্শিত সম্পদের মালিক আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিক।” টাস্কফোর্সগুলো বিশেষ তদন্ত, মানি লন্ডারিং এবং অনুসন্ধান-তদন্ত অনুবিভাগের অধীনে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।




মন্তব্য করুন