সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং

বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত: মোস্তাফা জব্বার

বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত: মোস্তাফা জব্বার

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, প্রযুক্তি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। আমাদের বড় সম্পদ হচ্ছে মেধা। দেশের ৬৫ ভাগ তরুণ জনগোষ্ঠী কে উপযোগী করে গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ৫ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ এমন এক অবস্থানে উপনীত হবে যা অবাক বিস্ময়ে পৃথিবী দেখবে।
মন্ত্রী গতকাল ঢাকায় ব্রাক ইন মিলনায়তনে আইটি প্রতিষ্ঠান ইজেনারেশন আয়োজিত চতুর্থ শিল্প বিপ্লব- আমরা কি প্রস্তুত? শীর্ষক গোলটেবিল সেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বিগত দশ বছরে আইসিটিসহ বিভিন্ন সূচকের আকাশচুম্বি অগ্রগতির বর্ণনা দিয়ে বলেন, প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শিল্প বিপ্লব মিস করলেও বাংলাদেশে চতুর্থ শিল্প ভালভাবেশুরু হয়েছে। ভোক্তা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সমূহ এআই, আইওটি, ব্লক চেইন এবং ডাটা অ্যানালাইটিক্স প্রযুক্তি গ্রহণ করছে। উন্নত অর্থনীতির বাংলাদেশের দিকে অগ্রযাত্রায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উন্নয়নের ধাপগুলোকে দ্রুতগতিতে টপকে যাবার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, ২০০৮ থেকে ২০১৯ এর সূচক তুলনা করা কঠিন। ২০০৮ সালে দেশে ৭ দশমিক ৫ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহৃত হতো। ২০১৮ সালে তা ৯০০ জিবিপিএস অতিক্রম করেছে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৪০ লাখ থেকে সাড়ে আট কোটিতে উন্নীত হয়েছে। পৃথিবীর কোন দেশে ডিজিটাল ইউনিয়ন সেন্টার আমাদের আগে তৈরি হয়নি। ইতোমধ্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুগান্তকারী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
এ খাতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সমূহের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা, সাইবার নিরাপত্তা এবং কাগজবিহীন ব্যবস্থা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রাথমিক স্তর থেকে প্রযুক্তি শিক্ষা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। প্রাথমিক স্তর থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বাধ্যবাধকতার জায়গায় যেতে চাই। তিনি ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সফলতা তুলে ধরে বলেন, গত চার মাসে দেশে ৬টি ফ্যাক্টরী উদ্বোধন করা হয়েছে। আগামী দু’মাসের মধ্যে দেশে মাদার বোর্ড তৈরি হবে। এসবেরই ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল ডিভাইসের বাজারও বাংলাদেশের দখলে থাকবে।
অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিও সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ এইচ কাফি, ডিসিসিআই সভাপতিও সামাতাসির, এটুআই প্রকল্প পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইনজেনারেশন ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন পরিচালক মুশফিকুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।


error: Content is protected !!