শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার চর ডোমসার গ্রামের ছৈজদ্দিন সরদার (৮৫) নামের এক বৃদ্ধের কাছে থাকা এক লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া ও তাকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে মারধর করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ছৈজদ্দিন সরদারের ছেলে মোঃ আলী সরদার বিদেশ থেকে লোক মারফত এক লক্ষ টাকা পাঠায়।
মঙ্গলবার (২৫ মে) বেলা তিনটার দিকে কোটাপাড়া থেকে সেই টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কোটাপাড়া ব্রিজের উত্তর পাড়ে চায়ের দোকানের সামনে গেলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আনসার মোল্লা ও জাহাঙ্গীর খান ছৈজদ্দিন সরদারকে কথা বলতে ডেকে নিয়ে ইজি বাইকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে যায় উত্তর পালং গ্রামের আবুল মাদবরের ভাড়া বাড়িতে।
আবুল মাদবরের বাড়িতে আনসার মোল্লার ভাড়া নেওয়া ঘরে তাকে নিয়ে যাওয়ার পরে তাদের সাথে যোগ হয় আছিমন ও সুরাইয়া নামের আরো দুই নারী। এরপর চারজনে মিলে বৃদ্ধ ছৈজদ্দিন সরদারকে লোহার রড ও হাতুরী দিয়ে পিটিয়ে তার মাথা হাঁটুসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জমখ করে মৃত ভেবে ঘরের মেঝেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এরপর পালং মডেল থানার অন ডিউটি মোবাইল টিম খবর পেয়ে বিকেল পাঁচটার দিকে তাকে উত্তর পালং গ্রামের আবুল মাদবরের ভাড়া বাড়ি থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তার আত্বীয় স্বজনের হাতে তুলে দিলে তারা ছৈজদ্দিন সরদারকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন।
অপহরনকারী আনসার মোল্লা বিনোদপুর ইউনিয়নের গয়াতলা গ্রামের মৃত হাসমত মোল্লার ছেলে ও জাহাঙ্গীর খান শৌলপাড়া ইউনিয়নের গয়ঘর গ্রামের লাল চাঁন খানের ছেলে। এছাড়া আছিমন আনসারের স্ত্রী ও সুরাইয়া বেগম জাহাঙ্গীরের স্ত্রী বলে জানা যায়।
এ ঘটনায় আহতের ছেলে মোঃ আলীর স্ত্রী বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে পালং মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেন।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।




মন্তব্য করুন