সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং

নিরাপত্তাহীন ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত-১ এবং আহত-২

নিরাপত্তাহীন ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত-১ এবং আহত-২

নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপত্তাহীন ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইমন মুন্সী(২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে এবং অপর দুই ব্যক্তি বিল্লাল শিকদার (২৬) ও শামীম তালুকদার (২৫) গুরুতর আহত হয়েছে।

গত ২৪ এপ্রিল শুক্রবার বিকেল ৩ ঘটিকার সময় শরীয়তপুর সদর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কোট সংলগ্ন বেপারী পাড়ার এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ-এর বাড়ির গেইটে বিদ্যুতের ছিঁড়া তার লেগে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত মৃত্যু ব্যক্তির পরিবার থেকে জানা গেছে ইমন মুন্সি (২০) পালং ইউনিয়নের চাঁদসার গ্রামের দুবাই প্রবাসী উজ্জ্বল মুন্সির ছেলে। বাবার কাছে দুবাই যাওয়ার জন্য পালং স্কুল সংলগ্ন বিল্লাল শিকদারের গ্রীল ওয়াকসপ-এর দোকানে কাজ শিখতে ছিল। কাজ শেখা অবস্থায় গতকাল ২৪ এপ্রিল শিকদার ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ দোকানের মালিক বিল্লাল এবং শামীমসহ কোট সংলগ্ন এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ-এর বাড়িতে এস এস এর গেইট লাগাতে গিয়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে তিনজন গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমন মুন্সীকে মৃত ঘোষণা করে। অপর দুই ব্যক্তি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে নিরাপত্তাহীন ভাবে ভূমি থেকে মাত্র ৮/১০ ফিট উঁচু দিয়ে আবাসিক ৩ বাড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ চিকন তার দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছে।

আরেকটি বিষয় লক্ষ করা গেছে যারা বড় এস এস এর গেইট লাগাতে গিয়েছিল তাদের কোন সেফটি ব্যবস্থা ছিলনা। কোন শ্রমিকের মাথায় সেফটি হেলমেট, হাতে সেফটি গ্লাভস, পায়ে সেফটি বুট জুতা ছিলনা। সেফটি থাকলে মৃত্যু না ও হতে পারত। এ দায় কে নিবে? বিদ্যুৎ অফিস, যারা নিরাপত্তাহীন ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছে, সেফটি না নিয়ে কাজ করার কারণে গ্রীরিল ওয়াকসপ দোকান মালিকের। এ প্রশ্ন জনসাধারণ এবং প্রশাসনের কাছে।

নিহত ইমনের মা গণমাধ্যমকে বলেন আমাদের কোন অভিযোগ নাই। আমরা কোন মামলা করব না। আমার বাবার রোজা থাকা অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। আমার বাবারে কাটতে দিমু না’।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজেদের দোষ স্বীকার করতে নারাজ।

পালং থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আক্তার হোসেন বলেন এই মৃত্যু নিয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মৃত ব্যক্তির পরিবার যদি অভিযোগ দেয় তাহলে মামলা নেব।