মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১১ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
মঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শরীয়তপুরে দু’জনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শরীয়তপুরে দু’জনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম

শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত বয়াতির সাথে ওই একই ইউনিয়নে বসবাসরত হাবিবুর রহমান সরদার সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। বিরোধীদের একপর্যায়ে ক্ষোভের বর্ষপতি হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে শওকত বয়াতিসহ তার নেতৃত্বে দুজনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে জপসা ইউনিয়নের মাইজ পাড়া গ্রামে হাবিবুর রহমান সরদার(৪৫) ও আলী মিয়া সরদার (৬০) হামলার শিকার হন।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে আটটার দিকে হাবিবুর রহমান সরদার ভোজেশ্বর বাজার যাওয়ার জন্য রওয়ানা হইলে জপসা ইউনিয়নের মাইজ পাড়া গ্রামে গেলে সাবেক চেয়ারম্যান শওকত বয়াতি সহ তার নেতৃত্বে সোহেল বয়াতি, হানিফা হাওলাদার, জামাল শরীফ, রুবেল ছৈয়াল, আবু কালাম হাওলাদার, মতিবর চৌকিদার, লোকমান মোড়ল সহ অজ্ঞাত ৫০ থেকে ৬০ জন দেশীয় ধারালো অস্ত্র লাঠি সোটা রড হাতুড়ি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে রক্তাক্ত রকম করে। শওকত বয়াতিসহ তার লোকজনেরা হাবিবুর রহমান সরদারকে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তায় ফেলে আলী মিয়ার সরদারের বাড়িতে গিয়ে তাকে ভাত খাওয়া অবস্থায় ঘর থেকে টেনে বের করে তাকেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ফেলে যায়।

বৃদ্ধ আলী মিয়া সরদারের স্ত্রীর চিৎকারের শব্দ শুনে স্থানীয়রা হাবিবুর রহমান সরদার ও আলী মিয়া সরদার কে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার আলী মিয়া সরদার কে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাখলেও হাবিবুর রহমান সরদার-এর অবস্থার অবনতি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়। এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি।

নড়িয়া থানার ওসি তদন্ত আবির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ এসেছে। সিনিয়র অফিসারদের সাথে বসে ব্যবস্থা নিব।

#


error: Content is protected !!