শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভিক নির্মল দুর্জয় এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডি এম খালি সিরাজ সিকদার ডিগ্রি কলেজে বাঙালির মহাজাগরণের পথিকৃৎ, স্বাধীনতার মহান স্থপতি এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। ।

বুধবার (১৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কলেজ মাঠে রাসেলের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিরাজ সিকদার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পলাশ রাউত।এছাড়া প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক সুশান্ত কুমার নাগ, সহকারী অধ্যাপক ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোতালেব মিয়া, হিতৈষী সদস্য নুরে আলম সিদ্দিকসহ শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের উদার মনোবৃত্তি, আন্তরিকতা ও সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি স্বকীয়তায় সমুজ্জল হয়ে ওঠে।

পরে ১১:৩০ মিনিটে কলেজের অডিটোরিয়ামে পবিত্র কোরআন হতে তেলাওয়াতের মাধ্যমে মূল কার্যক্রম শুরু হয়। সহকারী অধ্যাপক সুশান্ত কুমার নাগ এর সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে শেখ রাসেল দিবসের তাৎপর্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পলাশ রাউত, এসময় তিনি বলেন, রাসেল বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে দেশ-জাতির সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে পারতেন। ৭৫-এর পরাজিত শক্তি বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যা করে জাতিকে নেতৃত্ব ও মেধাশূন্য করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন বাস্তবে আলো দেখেনি।

পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে লালন করে এবং দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে নৈতিকতা সম্পন্ন, মানবিকগুণে সৃষ্টিশীল, আত্মপ্রত্যয়ী এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সুনাগরিক হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের আহবান জানান।

আলোচনা সভা শেষে শেখ রাসেল-এর জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক (ইসলাম শিক্ষা) মোঃ মঈনুদ্দিন।

Facebook Comments Box