স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালনের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৯ জুলাই রোববার বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ খলিলুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল হাসান, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জালাল আহমেদ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আবদুল্লাহ, এনএসআই’র উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ, এনডিসি মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আ. রাজ্জাক সরদার, সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন হাওলাদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা আক্তার শিল্পি, জেলা তথ্য অফিসার মো. জালাল উদ্দিন, জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শাহিন হোসাইন, জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান এ্যাড. রওশন আরা, জিপি আলহাজ্ব আলমগীর হোসেন মুন্সী।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, ১৫ই আগস্ট হচ্ছে বাঙ্গালী জাতির জন্য গভীর শোক ও বেদনার দিন। এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় আমাদের শরীয়তপুর জেলার প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে পালনের লক্ষ্যে সবাইকে আন্তরিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, শোক দিবসের সকল কর্মসূচী যাতে সুন্দর ও সার্থক ভাবে পালিত হতে পারে তার জন্য সরকারি-বেসরকারি. এনজিও প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দল স্ব স্ব ব্যানার নিয়ে কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করতে হবে। জেলা প্রশাসক জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৪ আগস্ট থেকে মূল ফটকে শোক দিবসের ব্যানার টানানোর জন্য অনুরোধ করেন।
আলোচনা সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ১৫ আগষ্ট সকাল সারে ৮টায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সকল মুক্তিযোদ্ধাদের কালো ব্যাজ ধারণ, ৯টায় শহীদ মিনারে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ, সাড়ে ৯টায় শহীদ মিনার থেকে শোক র‌্যালি, ১০টায় সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও দুপুর ১টায় সকল মসজিদে মিলাদ এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ থেকে ১৬ আগষ্টের যে কোন সময় সুবিধা মতো সকল মন্দিরে প্রার্থণা অনুষ্ঠিত হবে।

Facebook Comments Box