শুক্রবার, ১২ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
শুক্রবার, ১২ই আগস্ট, ২০২২ ইং

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ আয়েজিত নবান্ন উৎসব পালিত

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ আয়েজিত নবান্ন উৎসব পালিত

শরীয়তপুরের জাজিরায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য রক্ষার্থে নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের আদি ও লোকজ সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যে নবান্ন উৎসব পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটা থেকে সন্ধা সাতটা পর্যন্ত জাজিরা উপজেলার কাজী বাড়ি (মোল্লা বাড়ির মোড়) নামক স্থানে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ডুবিসায়বর মহিলা সিআইজি ফসল সমিতি (এনএটিপি) প্রকল্পের আয়োজনে আলোচনা সভা ও পিঠা নবান্ন উৎসব পালন করা হয়।
এ নবান্ন উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রিফাতুল হোসাইনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন; শরীয়তপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: মনোয়ার হোসেন; জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস।
এছাড়া জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রশান্ত বৌদ্ধের উপস্থাপনায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিনিয়া জিন্নাত; সহকারী কমিশনার (ভূমি) পঙ্কজ দেবনাথ; জাজিরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্বপন মাতুব্বর; বিসিক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, জাজিরা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন; শরীয়তপুর জেলা সার এসোসিয়েশনের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন (সুরুজ) মিয়া; জাজিরা উপজেলা সার এসোসিয়েশনের সভাপতি আ: সাত্তার বেপারীসহ শরীয়তপুর জেলা ও জাজিরা উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্প ও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং নবান্ন উৎসবের গুণীজন, কৃষক ও কৃষানীগণ।
আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সবাইকে হরেক রকম পিঠা পরিবেশন করা হয়।
এর আগে মাঠে নতুন পাকা ধান কেটে নবান্ন উৎসব উদ্বোধন করা হয়।
এ নবান্ন উৎসবে জেলা কাজী আবু তাহের বলেন, নবান্ন উৎসব আমাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব। বাংলার কৃষিজীবী সমাজে শস্য উৎপাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে যে সকল আচার অনুষ্ঠান ও উৎসব পালিত হয় নবান্ন তার মধ্যে অন্যতম। শহুরে জীবনের যান্ত্রিকতায় আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্যগুলো আজ হারাতে বসেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার আদি ও লোকজ সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।
সবশেষে এ নবান্ন উৎসবে পুরোনো পুথি পাঠ করা হয়, আর এ পুথি পাঠ করেন, পল্লী শিল্পী ঐতিহ্যের ধারক জিন্নাত আলী খান। আর দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষার্থে শিল্পী আরমান ও তার দল জারী গানের মাধ্যমে বাংলাদেশের পল্লী এলাকার স্মৃতি মানষপটে জাগিয়ে তোলেন।


error: Content is protected !!